মঙ্গলের ছবি পাঠালো পারসিভারেন্স

ঢাকা, সোমবার   ১২ এপ্রিল ২০২১,   চৈত্র ২৯ ১৪২৭,   ২৮ শা'বান ১৪৪২

মঙ্গলের ছবি পাঠালো পারসিভারেন্স

বিজ্ঞান ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১২:২৭ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২১  

নাসা টুইটারে এ ছবিটি পোস্ট করেছে। ছবি: সংগৃহীত

নাসা টুইটারে এ ছবিটি পোস্ট করেছে। ছবি: সংগৃহীত

মঙ্গলের মাটি স্পর্শ করেছে ‘রোভার দ্য পারসিভারেন্স’। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাত ৮টা ৫৫ মিনিটে পারসিভারেন্স মঙ্গলে সফলভাবে অবতরণ করার সংকেত পান নাসার প্রকৌশলীরা। এর পরই মঙ্গলের ভূমির প্রথম দুটি ছবি তুলে পাঠায় রোবটটি।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় মহাকাশ সংস্থা নাসা টুইটারে এরই মধ্যে একটি ছবিটি পোস্ট করেছে। এর মাধ্যমে বিশ্ব সাক্ষী থাকে পারসিভারেন্সের পাঠানো লালগ্রহের প্রথম ছবির! সেটার ক্যাপশনে লিখা হয়, “Hello, world. My first look at my forever home.”

নাসার প্রকাশ করা ছবিটি দেখে বুঝাই যায়, এর রেজল্যুশন কম। যে ইঞ্জিনিয়ারিং ক্যামেরায় ছবি তোলা হয়েছে, সেটির লেন্সে মঙ্গলের ধুলার আবরণও লক্ষ করা গেছে। তবে আগামী দুবছর মোটামুটি পরিষ্কারভাবেই দৃশ্য দেখা সম্ভব হবে।

টুইটারে নাসার পোস্ট। স্ক্রিনশট নেয়া

মঙ্গলের অন্যতম মারাত্মক দুর্গম অঞ্চলে জেজেরো ক্র্যাটারে রয়েছে এটি। এখানে রয়েছে গভীর উপত্যকা, সুউচ্চ পাহাড়, বালির টিলা এবং প্রচুর উঁচু-নিচু পাথর, যা জায়গাটিকে অসমান করে তুলেছে। তাই এই এলাকায় আদৈ রোভার নামতে কতটা সক্ষম হয়, সেদিকে নজর ছিল সবার। মনে করা হয় একসময় এখানে নদী প্রবাহিত হতো। পরে সেটি হয়তো হ্রদে পরিণত হয়।

‘মার্স ২০২০’ প্রকল্পের অন্যতম বিজ্ঞানী কেন উইলিফোর্ড বলেন, জীবনের চিহ্ন খোঁজার জন্য সবচেয়ে আদর্শ জায়গা হচ্ছে জেজেরো হ্রদ। আমি এমনটাই মনে করি। এর উপকূল কার্বন এবং নানা খনিজ পদার্থের সন্ধান মিলেছে। তাই এখানে জীবাশ্ম থাকার ভালো সম্ভাবনা রয়েছে।

এর আগে নাসা বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে মঙ্গলের বুকে আরও চারটি রোভার পাঠায়। যার প্রত্যেকটাই সফলভাবে মঙ্গলের বুকে অবতরণ করতে সক্ষম হয়। মানবসভ্যতার ইতিহাসে নাসার হাত ধরে নতুন কোন ‘মঙ্গল’-কাব্য রচিত হয় কি-না, তার দিকেই চোখ এখন সমস্ত বিশ্ববাসীর।

ডেইলি বাংলাদেশ/এনকে