জন্মদিন, বিবাহবার্ষিকীর দিনে বিশেষ কোনো আমল করতে পারবেন কি?

ঢাকা, বুধবার   ২৮ জুলাই ২০২১,   শ্রাবণ ১৩ ১৪২৮,   ১৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৪২

জন্মদিন, বিবাহবার্ষিকীর দিনে বিশেষ কোনো আমল করতে পারবেন কি?

ধর্ম ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:৪৯ ১৬ জুন ২০২১   আপডেট: ১৬:৫০ ১৬ জুন ২০২১

গরীবকে খাওয়ানো, সাদকা দেওয়া, নফল নামাজ পড়া, তাওবাহ-ইসতেগফার করা এবং কাউকে উপহার দেওয়া ইত্যাদি সাওয়াবের কাজ করতে পারেন। ছবি: প্রতীকী

গরীবকে খাওয়ানো, সাদকা দেওয়া, নফল নামাজ পড়া, তাওবাহ-ইসতেগফার করা এবং কাউকে উপহার দেওয়া ইত্যাদি সাওয়াবের কাজ করতে পারেন। ছবি: প্রতীকী

জন্মদিন কিংবা বিবাহবার্ষিকী পালন পশ্চিমা তথা- ইয়াহুদি, খ্রিস্টানদের থেকে আসা প্রচলন। ইসলামে এর কোনো ভিত্তি নেই। ভারতের ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দারুল উলুম দেওবন্দ তাদের অনলাইন ফতোয়া বিভাগে এ সম্পর্কে ফতোয়া দিয়েছেন। তাদের ফতোয়া অনুযায়ী, ইসলামি শরিয়তে এর কোনো স্থান নেই।

কেউ যদি নিজের কিংবা স্ত্রী-সন্তানের জন্মদিন পালন করার জন্য অথবা বিবাহবার্ষিকী উদযাপনে ভালো কাজ তথা- গরিবদের খাদ্য বিরতণ, দান-সাদকা করা, নফল নামাজ, তাওবাহ-ইসতেগফার পড়া, উপহার বিনিময় ইত্যাদি করে; ইসলামি শরিয়তে এসব ভালো কাজ কি বৈধ?

ফতোয়ায় তারা উল্লেখ করেন, ‘হজরত মুহাম্মদুর রাসূলুল্লাহ (সা.) এবং সাহাবায়ে কেরামদের সন্তান জন্ম নিয়েছে। তারা বিবাহও করেছেন। কিন্তু হাদিস কিংবা ইসলামের ইতিহাসের কোনো বর্ণনায় এমনটি পাওয়া যায় না যে, ‘তারা প্রতি বছর (তারিখ) আসলে বা অতিবাহিত হওয়ার সময়কালে বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে কাঙিক্ষত দিন ও ক্ষণ উদযাপন (এ উপলক্ষে বিশেষ আমল-ইবাদত) করেছেন। কিংবা আনুষ্ঠানিকভাবে জন্মদিন বা বিবাহবার্ষিকী পালন করেছেন।

এমনিতে গরীবকে খাওয়ানো, সাদকা দেওয়া, নফল নামাজ পড়া, তাওবাহ-ইসতেগফার করা এবং কাউকে উপহার দেওয়া ইত্যাদি সাওয়াবের কাজ। কিন্তু সেটা জন্মদিন কিংবা বিবাহ বার্ষিকী উপলক্ষে নির্দিষ্ট দিনে এ কাজগুলো করা যাবে না। এতে পশ্চিমা ইয়াহুদি ও খ্রিস্টানদের রীতিনীতির পক্ষে হয়ে যেতে পারে। যা ইসলামে পুরোপুরি হারাম। 

ডেইলি বাংলাদেশ/কেএসকে