আজ তৃতীয় তারাবি: আয়াত, অর্থ ও বিষয়বস্তু

ঢাকা, মঙ্গলবার   ১৮ মে ২০২১,   জ্যৈষ্ঠ ৪ ১৪২৮,   ০৫ শাওয়াল ১৪৪২

আজ তৃতীয় তারাবি: আয়াত, অর্থ ও বিষয়বস্তু

ধর্ম ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:৫৯ ১৫ এপ্রিল ২০২১   আপডেট: ১৭:০১ ১৫ এপ্রিল ২০২১

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

আজ ৩য় তারাবিতে সূরা আলে ইমরানের ১০ম রুকু থেকে শেষ রুকু পর্যন্ত (আয়াত-৯২-২০০) এবং সূরা নিসার ১ম রুকু থেকে ১১তম রুকু পর্যন্ত (আয়াত-৮৭) পড়া হবে। পারা হিসেবে পড়া হবে চতুর্থ পারার পুরোটা ও ৫ম পারার ১ম অর্ধাংশ, মোট দেড় পারা।

সূরা আলে ইমরান : (৯২-২০০):
১০ম রুকুর (আয়াত ৯২-১০১) আলোচ্য বিষয় হলো আল্লাহর রাস্তায় খরচ করার ফজিলত, বাইতুল্লাহ জিয়ারত ও হজের প্রসঙ্গ, আহলে কিতাবদের প্রতি বিভিন্ন বিষয়ে দিকনির্দেশনা ইত্যাদি।

১১তম রুকুতে (আয়াত ১০২-১০৯) বলা হয়েছে পরিপূর্ণ মুমিন হওয়া, আল্লাহর কিতাব আঁকড়ে ধরা, হাশরের মাঠে মানুষের কী অবস্থা হবে সেসব বিবরণ ইত্যাদি।
১২তম রুকুতে বলা হয়েছে মুসলমানদের শ্রেষ্ঠত্বের কারণ, পার্থিব জীবনে জুলুম করলে আখেরাতে কী শাস্তি হবে, বিপদে মুসিবতে ধৈর্যধারণ করা এসব বিষয়ে।
১৩তম রুকুতে (আয়াত ১২১-১৪৩) আলোকপাত করা হয়েছে যুদ্ধের সময়ের বিধানাবলি, কাফেরদের স্বেচ্ছাচারিতার পরিণাম, সম্পদশালীদের সম্পদ ব্যয় করার প্রতি উৎসাহ প্রদান প্রসঙ্গে।

১৪তম রুকুতে (আয়াত ১৩০-১৪৩) আলোচ্য বিষয় হলো সুদ থেকে বিরত থাকা, মন্দ কাজ করে ফেললে কী করণীয়, মানবজাতির জন্য জরুরি নির্দেশনা ইত্যাদি।

১৫তম থেকে ১৭তম রুকুতে (আয়াত ১৪৪-১৭১) মুসলিমদের যুদ্ধের বিভিন্ন বিষয়, আল্লাহ তায়ালা মুমিনদের সঙ্গে কী কী অঙ্গীকার করেছেন, মতভেদ করলে কী ক্ষতি ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

১৮তম থেকে ২০তম রুকু পর্যন্ত (আয়াত ১৭২-২০০) মুমিনদের ঈমানকে মজবুত করা, কুফুরিতে লিপ্ত না হওয়া, অঙ্গীকার করলে তা পুরা করা, মৃত্যুর কথা স্মরণ করা, পার্থিব জীবনের ধনসম্পদ ক্ষণস্থায়ী ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

সূরা নিসা : (১-৮৭):
১ম রুকুতে (আয়াত ১-১০) আল্লাহ মানবজাতিকে সৃষ্টি করা, এতিমদের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস না করা, নারীদের ন্যায্য অধিকার প্রদান করা, কেউ মারা গেলে তার সম্পদের বণ্টন ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

২য়, ৩য় ও ৪র্থ রুকুতে (আয়াত ১১-২৫) আলোচনা করা হয়েছে মিরাস বণ্টনের বিস্তারিত বিবরণ, সীমালঙ্ঘন না করা, সব সময়ে ভালো কাজ করা, অশ্লীলতা দূরীকরণে বিয়ে ও হারাম থেকে বিরত থাকা, পরিবারে কীভাবে সাম্য রক্ষা করবে, আত্মীয়-স্বজনের হক আদায় করা প্রসঙ্গে আলোকপাত করা হয়েছে।

৫ম থেকে ৭ম রুকু পর্যন্ত (আয়াত ২৬-৫০) আল্লাহর নিষেধকৃত বিষয় থেকে বিরত থাকা ও আদেশকৃত বিষয় সম্পাদন করা, কৃপণতা না করা বরং উদার হওয়া, নেশাদ্রব্য পান না করা ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

৮ম রুকুর (আয়াত ৫১-৫৯) আলোচ্য বিষয় হলো আল্লাহর বড়ত্ব ও মহিমা, আল্লাহর আয়াত ও হুকুম অস্বীকার করার পরিণাম, আখেরাতের প্রতি বিশ্বাস করা ইত্যাদি।

৯ম ও ১০ম রুকুতে (আয়াত ৬০-৭৬) বলা হয়েছে মুনাফিক ও কাফেরদের ধৃষ্টতার বিভিন্ন প্রকার ও শাস্তি, রাসূল (সা.) প্রেরিত হওয়ার কারণ ও উদ্দেশ্য, নবীদের সঙ্গে অবিশ্বাসীদের বিভিন্ন ধৃষ্টতাপূর্ণ আচরণ ইত্যাদি প্রসঙ্গে আলোকপাত করা হয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/কেএসকে