ইসলামে অন্যের পছন্দ ও মেজাজকে প্রাধান্য দেয়ার গুরুত্ব

ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৭ অক্টোবর ২০২০,   কার্তিক ১২ ১৪২৭,   ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

ইসলামে অন্যের পছন্দ ও মেজাজকে প্রাধান্য দেয়ার গুরুত্ব

নুসরাত জাহান ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২০:৩৭ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০   আপডেট: ২০:৪০ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০

অন্যের মন মস্তিষ্ক ও মেজাজের প্রতি দৃষ্টি রাখা দ্বীনি আচার আচরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

অন্যের মন মস্তিষ্ক ও মেজাজের প্রতি দৃষ্টি রাখা দ্বীনি আচার আচরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

হজরত আবু যর গিফারী (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলে কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, ‌তোমরা মানুষের সঙ্গে তাদের স্বভাব, চরিত্র ও রুচিমাফিক ব্যবহার করবে।'

এটাও দ্বীনের একটি অংশ যে, একে অপরের রুচির পছন্দের প্রতি লক্ষ্য রাখবেন। এমন কোনো কাজ করবে না, যা তার সমাজ ও প্রকৃতির বিপরীত যা দ্বারা তার কষ্ট হয়। যদিও ওই কাজ শরীয়তের দৃষ্টিতে জায়েজ। হারাম বা অবৈধ নয়। অন্যের মন মস্তিষ্ক ও মেজাজের প্রতি দৃষ্টি রাখা দ্বীনি আচার আচরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

হজরত উসমান গণী (রা.) এর রুচি ও মেজাজের প্রতি গুরুত্ব:

আল্লাহর নবী (সা.) এ কাজটি খুব গুরুত্বেও সঙ্গে করতেন। সাহাবাদের মেজাজ ও রুচি বুঝে তাদের সঙ্গে ব্যবহার করতেন। হাদিসে নববী থেকে জানা যায়, একবার নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বীয় ঘরে অবস্থান করছিলেন। তখন তাঁর পরিধানে ছিল লুঙ্গি। লুঙ্গিটি অনেক উপরে উঠানো ছিল। কোনো কোনো বর্ণনা মতে হাঁটু পর্যন্ত উঠানো ছিল। হয়ত এ ঘটনার তখনকার যখন হাঁটু সতরের অন্তর্ভূক্ত ছিল না। কোনো কোনো বর্ণনা মতে হাঁটু ঢাকা ছিল। ইতোমধ্যে কে যেন দরজায় কড়া নাড়লো। জানা গেল হজরত আবু বকর সিদ্দীক (রা.) আগমন করেছেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ঘরের ভেতরে প্রবেশের অনুমতি দিলেন। তিনি ভেতরে প্রবেশ করে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পাশে বসে পড়লেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেভাবে বসে ছিলেন ঠিক সেভাবে বসে রইলেন এবং তার পা মোবারক পূর্বের ন্যায় খোলা থাকল।

অল্পক্ষণ পর দরজায় পুনরায় কড়াঘাতের আওয়াজ শোনা গেল। জানা গেল হজরত ওমর ফারুক (রা.) আগমন করেছেন। রাসূলে কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ভেতরে প্রবেশের অনুমতি দিলেন। তিনিও এসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পাশে বসে পড়লেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পূর্বের ন্যায় তার পা খোলা রাখলেন। কোনো রকম পবির্তন করলেন না।

কিছুক্ষণ পর কে যেন পুনরায় দরজায় কড়াঘাত করল। নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞাসা করলেন-কে? প্রতি উত্তরে জবাব এলো উসমান গণী (রা.)। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সঙ্গে সঙ্গে স্বীয় লুঙ্গি নিচু করলেন এবং পা মোবারক ভালোভাবে ঢেকে দিলেন। এরপর হজরত উসমান (রা.)-কে ভেতরে আসার অনুমতি দিলেন। এভাবে তিনিও ভেতরে প্রবেশ করে বসে পড়লেন। এক সাহাবি এ দৃশ্য দেখেছিলেন। তিনি নিবেদন করলেন- ইয়া রাসূলাল্লাহ! যখন হজরত আবু বকর (রা.) আগমন করলেন, তখন আপনি লুঙ্গি নিচু করলেন না। তদ্রুপ হজরত ওমর ফারুক (রা.) আগমন করার পরও আপনি লুঙ্গি নিচু করলেন না। বরং পূর্বের ন্যায় উঁচু করে রাখলেন। কিন্তু যখন হজরত উসমান গণী (রা.) আগমন করলেন, তখন আপনি পূর্বের অবস্থা পরিবর্তন করলেন। স্বীয় লুঙ্গি নিচু করলেন। এর কারণ কি?

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উত্তরে বললেন, আমি কেন তাকে লজ্জা করব না যাকে ফেরেশতারাও লজ্জা করেন?

হজরত উসমান গণী (রা.) এর বিশেষ গুণ ছিল লজ্জা। আল্লাহ তায়ালা তাকে লজ্জার সুউচ্চ মাকাম দান করেছিলেন। তার উপধী ছিল- 

كامل الحياء و الإيمان

অর্থাৎ: পরিপূর্ণ লজ্জাশীল ও ঈমানদার।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সব সাহাবিদের স্বভাব রুচি সম্পর্কে জ্ঞাত ছিলেন। হজরত উসমান গণী (রা.) সম্পর্কে তিনি জানতেন যে তিনি অত্যন্ত লাজুক প্রকৃতির মানুষ। যদিও হাঁটু পর্যন্ত পা খোলা থাকা শরীয়তরে দৃষ্টিতে নাজায়েজ নয়। তাই তো হজরত আবু বকর সিদ্দীক (রা.) এবং হজরত ওমর ফারুক (রা.) আগমন করার পর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোনো পরিবর্তন করলেন না। তবে হজরত উসমান (রা.) আগমন করার পর চিন্তা করলেন, যেহেতু তিনি স্বভাবগতভাবে লজ্জাশীল, তার সম্মুখেও যদি পা খোলা রাখি, তাহলে এটা তার স্বভাব ও রুচি বিরোধী হবে। এ জন্য তার আগমনের পূর্বক্ষণে পা ঢেকে নিলেন এবং লুঙ্গি নিচু করলেন। 

সাহাবায়ে কেরাম (রা.) যারা রাসূলের (সা.) একটু ইঙ্গিতে জীবন বিসর্জন দিতে সদা প্রস্তুত, তদুপরি রাহমাতুল-লিল-আলামীন তাদের মেজাজ ও স্বভাবের প্রতি ছিলেন সর্বদা সজাগ। তাদের রুচি বিরোধী কোনো কাজ তিনি করতেন না। বরং তাদের রুচির প্রতি সতর্ক দৃষ্টি রাখতেন। মনে করুন হজরত উসমান গণী (রা.) আগমনের পর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যদি পূর্বের ন্যায় পা খোলা অবস্থায় থাকতেন, হজরত উসমান গণী (রা.) এর পক্ষ থেকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর কি অভিযোগ উঠত? কক্ষণও নয়।

কিন্তু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ শিক্ষা দিলেন যে, তোমাদের মাঝে যার স্বভাব যেমন তার সঙ্গে সে ধরনের ব্যবহার করো। দেখুন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কতটা সূক্ষ্মভাবে স্বীয় সাহাবায়ে কেরাম ও সাথী সঙ্গীদের মেজাজ ও রুচির প্রতি লক্ষ রাখতেন।

হজরত ওমর ফারুক (রা.) এর মেজাজ ও রুচির প্রতি সতর্ক দৃষ্টি:

একবার হজরত ফারুকে আযম রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দরবারে উপস্থিত হলেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, ওমর! আমি এক আশ্চর্য স্বপ্ন দেখেছি। আমি স্বপ্নে জান্নাত দেখলাম এবং জান্নাতে এক বিশাল অট্টালিকা দেখলাম। জিজ্ঞাসা করলাম, এ অট্টালিকা কার? বলা হলো, এটা হজরত ওমর ফারুক (রা.) এর। 

অট্টালিকাটি আমার এত ভালো লেগেছে যে, আমার মন চাচ্ছিল আমি তার ভেতরে প্রবেশ করি এবং দেখি তার ভেতরের অংশ কেমন। কিন্তু ওমর, তোমার আত্মমর্যাদাবোধ স্মরণ হয়ে গেল। যা তোমার স্বভাবের মধ্যে আল্লাহ তায়ালা অনেক বেশি রেখেছেন। ওহে ওমর! আমার এ ধারণা হলো যে, তোমার আগে তোমার গৃহে প্রবেশ করা এবং তা দেখা তোমার স্বভাব ও আত্মমর্যাদাবোধ বিরোধী হবে। তাই ওই অট্টালিকায় প্রবেশ করিনি। 

হজরত ফারুকে আযম (রা.) এ কথা শুনে কেঁদে ফেললেন এবং বললেন-ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনার সঙ্গেও আত্মমর্যাদাবোধ! যদি আত্মমর্যাদাবোধ থেকে থাকে তবে তা অন্যদের ব্যাপারে। আপনার ব্যাপারে নয়।

এ থেকেই উপলব্ধি করা যায়, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কত সূক্ষ্মভাবে সাহাবায়ে কেরাম (রা.) এর মেজাজ ও স্বভাবের প্রতি লক্ষ রাখতেন। এ কথা ভাবেননি যে, আমি নেতা, সে আমার অনুসারী। আমি পীর, সে আমার মুরিদ। আমি শিক্ষক, সে আমার ছাত্র। সুতরাং সব অধিকার আমার। তার কোনো অধিকার নেই। কিন্তু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেক সাহাবি (রা.) এর মেজাজের প্রতি লক্ষ রেখে আমাদের শিক্ষা দিয়েছেন।

উম্মাহাতুল মুমিনীন (রা.) এর মেজাজের প্রতি মনযোগ:

একবার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এতেকাফ করার ইচ্ছা করলেন। তখন হজরত আয়েশা (রা.) রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গে এতেকাফ করার ইচ্ছা করলেন। সাধারণভাবে নারীদের মসজিদে এতেকাফ করা উচিত নয়। বরং তারা এতেকাফ করবে তাদের ঘরে। কিন্তু হজরত আয়শা (রা.) এর ব্যাপারটি একটু ব্যতিক্রম ছিল। কেননা হজরত আয়শা (রা.) এর ঘরের দরজা মসজিদের দিক খোলা ছিল। যদি তার এতেকাফের স্থান দরজার সম্মুখে করা হয় এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এতেকাফের স্হানও এর সঙ্গে করা হয় তাহলে পর্দাহীনতার তেমন কোনো আশংকা থাকে না। প্রয়োজনে ঘরে চলে যেতে পারেন। প্রয়োজন শেষে এতেকাফে বসতে পারেন। সে জন্য তার এভাবে এতেকাফ করার দ্বারা কোনো সমস্যার উদ্ভব হয় না।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট অনুমতি চাওয়ার পর তিনি অনুমতি দিলেন। কিন্তু রমজানের ২০ তারিখ নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোনো প্রয়োজনে বাইরে গমন করেন। ফিরে এসে তিনি মসজিদে নববীতে অনেকগুলো তাবু দেখতে পেলেন। সাহাবায়ে কেরামের নিকট প্রশ্ন করে তিনি জানতে পারলেন যে, এ সব তাবু হজরত উম্মাহাতুল মুমিনীনের। যখন হজরত আয়শা সিদ্দীকা (রা.) এতেকাফ করার অনুমতি পেলেন, তখন অন্যান্য স্ত্রীরাও এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে সৌভাগ্য অর্জন করার ইচ্ছা পোষণ করলেন। সুতরাং তারাও স্বীয় তাবু মসজিদে লাগিয়ে দিলেন।

এ অবস্থায় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনুভব করতে লাগলেন যে, হজরত আয়শা (রা.) এর বিষয়টি ভিন্ন রকম। কেননা তার আবাসস্থল মসজিদে নববীর সঙ্গে মিলিত হওয়ার কারণে পর্দাহীনতার আশংকা ছিল না। অপরদিকে অন্যান্য উম্মাহাতুল মুমিনীনের অবাসস্থল মসজিদ থেকে দূরে থাকার কারণে বারবার আসা যাওয়ার দরুণ পর্দাহীনতার আশংকা রয়েছে। এ ছাড়া নারীদের মসজিদের ভেতরে এতেকাফ করাও উচিত নয়। এ জন্য তাদের তাবু দেখে তিনি বললেন,  ‘নারীদের এভাবে মসজিদে এতেকাফ করা কোনো পুণ্যের কাজ নয়। এ বছর আমিও এতেকাফ করবো না।'

কিন্তু বিষয়টি জটিল হয়ে দাঁড়াল। হজরত আয়শা (রা.)-কে এতেকাফ করার অনুমতি স্বয়ং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দিয়েছেন। তাই তিনি চিন্তা করতে লাগলেন যদি আয়েশার তাবু ঠিক রেখে অন্যান্য স্ত্রীদেরকে তাদের তাবু সরানোর আদেশ দেয়া হয়, তাহলে সেটাও তাদের মনো কষ্টের কারণ হবে। এবং তাদের মেজাজ ও রুচি বহির্ভূত হবে। কেননা তারা ভাববে যে, হজরত আয়শাকে তো অনুমতি দেয়া হলো, আর আমাদেরকে দেয়া হলো না।

আর যদি হজরত আয়েশাসহ সবাইকে তাবু সরানোর আদেশ দেয়া হয়, তাহলে হজরত আয়েশা (রা.) ব্যথিত হবেন। তার জন্যও এটা হবে কষ্টকর ও অসহনীয়। কারণ ইতিপূর্বে তাকে এতেকাফের অনুমতি দেয়া হয়েছে। তাই রাহমাতুল-লিল-আলামীন সবার মেজাজ ও রুচির প্রতি লক্ষ রেখে ঘোষণা করলেন- এ বছর আমি এতেকাফ করবো না। তাঁর (সা.) ঘোষণা শুনতেই সবাইই নিজ নিজ তাবু সরিয়ে ফেললেন। এরপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সে বছর আর এতেকাফ করেননি।

এতেকাফের ক্ষতিপূরণ:

শরীয়তের একটি আদেশ বাস্তবায়ন এবং হজরত আয়েশা (রা.)-সহ অন্যান্য উম্মাহাতুল মুমিনীনদের মেজাজ ও রুচির প্রতি লক্ষ রেখে এতেকাফের মতো একটি নিয়মতান্ত্রিক আমল ছেড়ে দিলেন। সারা জীবনে শুধু একবারই তিনি এতেকাফ করেননি। পরবর্তী রমজানে তার ক্ষতিপূরণ হিসেবে দশ দিনের স্থলে বিশ দিন এতেকাফ করেছেন।

এটাও সুন্নত:

এর দ্বারা অনুধাবন করুন যে, নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বীয় অধীনস্ত ছোটদের মন মেজাজের প্রতি কতটা লক্ষ রেখে তাদের সঙ্গে কিরূপ ব্যবহার করেছেন। একটা শরয়ী বিধান সুস্পষ্ট করার বিষয়ে এমন পন্থা অবলম্বন করলেন, যা কারো মনো কষ্টের কারণ হয়নি। বিধানও সুস্পষ্ট করে দিয়েছেন। তার ওপর আমলও করে নিলেন এবং অন্যের মন ভাঙ্গা থেকেও বিরত থাকলেন। 

সঙ্গে সঙ্গে স্বীয় আমল দ্বারা প্রশিক্ষণও প্রদান করলেন যে, যদি কোনো কাজ ফরজ বা ওয়াজিব না হয় এবং যদি কারো মন ভাঙ্গা থেকে বাঁচার জন্য পরবর্তী সময় আদায় করে কিংবা পরিত্যাগও করে, তবে ওই কাজও নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলঅইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নতের অংশ হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএজে