গাইবান্ধায় গৃহবধূ হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড 

ঢাকা, রোববার   ০২ অক্টোবর ২০২২,   ১৭ আশ্বিন ১৪২৯,   ০৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

Beximco LPG Gas

গাইবান্ধায় গৃহবধূ হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড 

গাইবান্ধা প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:৪৭ ৩০ জুন ২০২২  

গৃহবধূ পারভীন বেগম হত্যা মামলায় স্বামীসহ দুইজনের মৃত্যুদণ্ড। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

গৃহবধূ পারভীন বেগম হত্যা মামলায় স্বামীসহ দুইজনের মৃত্যুদণ্ড। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

গাইবান্ধার সাঘাটায় গৃহবধূ পারভীন বেগম হত্যা মামলায় স্বামীসহ দুইজনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় অপর তিনজন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়। 

বৃহস্পতিবার দুপুরে গাইবান্ধার অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. ফেরদৌস ওয়াহিদ এই রায় দেন। রায় প্রদানের সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন সাঘাটা উপজেলার কামালেরপাড়া গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে ছাইফুল ইসলাম ও ছাইফুলের প্রথম স্ত্রীর ছোটভাই ও পার্শ্ববর্তী বসন্তেরপাড়া গ্রামের চাঁন মিয়ার ছেলে আবদুল করিম। 

রায় প্রদানের বিষয়টি নিশ্চিত করছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফারুক আহম্মেদ। তিনি বলেন, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আদেশ দেন আদালত। একই মামলায় তিনজনকে খালাস দেওয়া হয়। খালাস প্রাপ্তরা হলেন ছাইফুলের প্রথম স্ত্রী পারভীন আকতার, আবদুল কুদ্দুস ও কোহিনুর বেগম। 

জানা যায়, ২০১৫ সালে সাঘাটা উপজেলার বড়াইকান্দি গ্রামের আফজাল হোসেনের মেয়ে পারভীন বেগমের সঙ্গে কামালেরপাড়া গ্রামের ছাইফুল ইসলামের বিয়ে হয়। পারভীনের কোনো সন্তান নেই। বিয়ের পর থেকে ছাইফুলের সঙ্গে দ্বিতীয় স্ত্রী পারভীন বেগমের পারিবারিক ও সাংসারিক কলহ চলতে থাকে। ২০১৭ সালের এপ্রিল মাসে ছাইফুল একটি মাদক মামলায় গ্রেফতার হন। তিনি কারাগারে থাকাকালীন সময় দ্বিতীয় স্ত্রী পারভীন তার বাবার বাড়িতে থাকেন। কয়েক মাস পর ছাইফুল জামিনে মুক্তি পেয়ে পারভীন বেগমকে তার নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। একই সালে ৩০ জুলাই পারভীন বেগমের মরদেহ আবদুল করিমের বাড়ির পায়খানার সেফটি ট্যাঙ্ক থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।

এ নিয়ে নিহতের বড়ভাই আজিজুর রহমান ৩০ জুলাই রাতে বাদী হয়ে সাঘাটা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় ছাইফুল ইসলাম, আবদুল করিম, পারভীন আকতার, আবদুল কুদ্দুস ও কোহিনুর বেগমসহ পাঁচজনকে আসামি করা হয়। এরমধ্যে দুইজনের মৃত্যুদণ্ড ও তিনজনকে খালাস দেওয়া হয়। আসামি পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন আবু আহম্মেদ আব্দুল্যাহ।  

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে

English HighlightsREAD MORE »