শাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে মাছ ধরার হিড়িক

ঢাকা, রোববার   ০২ অক্টোবর ২০২২,   ১৭ আশ্বিন ১৪২৯,   ০৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

Beximco LPG Gas

শাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে মাছ ধরার হিড়িক

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১০:৪৩ ২০ জুন ২০২২  

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়ার সামনে মাছ ধরছেন সৌখিন মানুষরা। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়ার সামনে মাছ ধরছেন সৌখিন মানুষরা। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

চারদিকে থইথই পানি। প্রবাহিত হচ্ছে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায়। রাস্তার উপর দিয়ে বহমান পানির আঁচড় লাগছে মানুষের শরীরে। মানুষও দিব্যি হেসে-খেলে চলছে এখান থেকে ওখানে, প্রয়োজনে কিংবা অপ্রয়োজনে। এরই মধ্যে কেউ জীবিকা নির্বাহের জন্য, কেউ বা আবার শখের বসে মাছ ধরার সুযোগও হাতছাড়া করতে চাচ্ছে না।

উজানের পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বর্ষণে সুরমা নদীর পানি উপচে পড়ে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে। বাদ পড়েনি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসও। 

গত তিনদিন বন্যায় প্লাবিত ছিলো বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ। রোববার (১৯ জুন) সকাল থেকেই বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে। চারদিক থেকে পানি প্রবেশ করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ডোবায়, খালে ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে মাছের ছড়াছড়ি উপলব্ধি করা যায়। এসব দেখে মাছ ধরার নেশা থামাতে পারেননি সৌখিন মানুষরা। তাই বড়শি ও জাল নিয়ে মাছ ধরার হিড়িক পড়েছে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ে ডি বিল্ডিং, চাষাভূষার টং, এক কিলোর পাশের কৃত্রিম লেক ও লেডিস হলের রাস্তার দুইপাশে বড়শি দিয়ে মাছ ধরছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও স্থানীয় মানুষরা। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের জাল দিয়ে ছোট বড় নানা ধরনের মাছ ধরতে ব্যস্ত রয়েছেন অনেক মানুষ।

লাইট জ্বালাতে গিয়ে লাইব্রেরি ভবনের পিছনে বড় একটা মাগুর মাছ ধরতে দেখা যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরি ভবনের গার্ড আফজাল হোসেনকে। 

আকস্মিকভাবে মাছ ধরতে পেরে তিনি অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, লাইট জ্বালাতে গিয়ে হঠাৎ করে আমার সামনে দেখি একটি মাছ নড়াচড়া করতেছে। তাই দেরি না করে নেমে যাই পানিতে। মাছ ধরতে পেরে খুব ভালো লাগছে।

মাছ ধরতে আসা জুবেল মিয়া বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে পানি প্রবেশ করায় বিভিন্ন জায়গায় মাছ ঢুকেছে। যদিও মাছ ধরা আমার পেশা নয়, শখের বশে বড়শি নিয়ে এসেছি। সঙ্গে বন্ধুবান্ধবদেরও নিয়ে আসছি। মাছ ধরতে খুব ভালো লাগে। সবাই আড্ডা দিচ্ছি, সাথে মাছ ধরার শখটাও পূর্ণ হয়ে যাচ্ছে।

জাল দিয়ে মাছ ধরতে আসা রফিকুজ্জামান বলেন, ক্যাম্পাসের পাশেই আমার বাসা। দাম বেশি হওয়ায় বাজার থেকে সবসময় মাছ আনতে পারি না। নতুন পানিতে বিভিন্ন ধরনের মাছ আসে। তাই নাতীকে সাথে নিয়ে মাছ ধরতে এসেছি। অনেকগুলো মাছ ধরেছি। যদিও ভাবি নি এতগুলো মাছ ধরতে পারবো।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম

English HighlightsREAD MORE »