ঢাবির ‘ক’ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা: সহজ সমাধানের কৌশল
15-august

ঢাকা, রোববার   ১৪ আগস্ট ২০২২,   ৩০ শ্রাবণ ১৪২৯,   ১৫ মুহররম ১৪৪৪

Beximco LPG Gas
15-august

ঢাবির ‘ক’ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা: সহজ সমাধানের কৌশল

ঢাবি প্রতিনিধি  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:২১ ১৮ মে ২০২২  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

এবারো বিভাগীয় শহরে অনুষ্ঠিত হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা। সময়সূচি অনুযায়ী ঢাবিতে  ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে ১০ জুন পরীক্ষা পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

যারা এখনো দুশ্চিন্তায় আছেন কিভাবে হবে, কত মার্কস, লিখিত কত, এমসিকিউ কত, বোর্ড মার্কস কিভাবে কাউন্ট হবে এসব নিয়ে। তাদের জন্য বিস্তারিত। 

‘ক’ ইউনিট: 

বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) এবং লিখিত পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ১০০ নম্বরের বহুনির্বাচনী অংশে ৬০, লিখিত অংশে ৪০ নম্বর। দুই অংশে ৪৫ মিনিট করে সময় থাকছে।

বহুনির্বাচনী অংশে পাস নম্বর ২৪। ২৪ নম্বরে পেলে কেবল লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্রের মূল্যায়নের জন্য বিবেচিত হবে। লিখিত অংশের পরীক্ষায় পাস নম্বর ১২। মোট আসনের কমপক্ষে ৫ গুন লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন করা হবে। তবে ১০০ নম্বরের মধ্যে বহুনির্বাচনী এবং লিখিত পরীক্ষার মোট পাস নম্বর ৪০। যারা ৪০ এর কম নম্বর পাবে তাদেরকে ভর্তির জন্য বিবেচনা করা হবে না। 

প্রশ্নে পদার্থবিজ্ঞান (আবশ্যিক) ও রসায়নসহ (আবশ্যিক) প্রতিটি বিষয়ে বহুনির্বাচনীতে থাকবে ১৫ নম্বর আর লিখিততে থাকবে ১০ নম্বর। লিখিত অংশে প্রতিটি প্রশ্নের মান ২ থেকে ৫ এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে। বহুনির্বাচনী পরীক্ষায় প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা হবে এবং তা বিষয়ভিত্তিক সমন্বয় করা হবে। 

একজন প্রার্থী যে ৪টি বিষয়ের প্রশ্নের উত্তর দিলে তার উপর নির্ভর করবে সে কোন বিভাগ/ ইনস্টিটিউটে ভর্তি হতে পারবে।

গত বছরের ভর্তি পরীক্ষায় ১০.৭৬% পাস করেছিল ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষ ১৩% এর মতো। লাখের কাছাকাছি শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়ে ১০.৭৬% পাস করে। এখানে যে যত বেশি পরিশ্রমী, টেকনিক্যালি পরিশ্রম করবে সেই সফল হবে।

যত পারেন প্রশ্নব্যাংক ঘাটুন, যতবার করা যায়, বুঝে বুঝে করবেন সমাধানগুলো। এতে বুঝে যাবেন আপনার দুর্বলতা কোথায়। সেগুলোতে জোর দিন, মানে ওই রিলেটেড টপিকসটায় গুরুত্ব দিন।

ভর্তি পরীক্ষায় প্রত্যেক এমসিকিউ প্রশ্নের জন্য সময় ৪৫ সেকেন্ড সময় থাকবে। সময় মেইনটেইন করাটা খুব জরুরি। তার জন্যে আমি একটা সিকুয়েন্স ফলো করতাম। আপনাদের ভালো লাগলে ফলো করতে পারেন।

আগে জীববিজ্ঞান শেষ করতাম। যেটা কমন পড়বে না, সেটা নিয়ে ভাবতামও না, ওটা স্কিপ। সো এ পদ্ধতিতে ১৫টা জীবনবিজ্ঞানের প্রশ্ন দেখতে সর্বোচ্চ ৩-৪ মিনিট লাগার কথা। এইযে শুরুতে সময় বাঁচিয়েছেন, এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। অনেকে গণিত দিয়ে শুরু করে, খারাপ না। তবে যদি প্রথমে সময় বেশি যায় আর এমসিকিউ খারাপ হয় তখন মানসিকভাবে ডিপ্রেশড হবেন। যেটা বাকি পরীক্ষা হ্যাম্পার করতে পারে।

জীববিজ্ঞানের পর রসায়ন দাগাতে পারেন। ওখানেও খুব একটা সময় লাগে না। কারণ খুব বেশি ম্যাথ থাকে না রসায়নে। বেশির ভাগই বেসিক থিওরি। ওখানেও সময় বাঁচবে। তারপর দেখবেন পদার্থ আর গনিত প্রত্যেকটা এমসিকিউর জন্যে ১ মিনিটেরও বেশি সময় পাবেন। যেটা আপনার প্রয়োজন। এটা সময় বাঁচানোর কৌশল।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম

English HighlightsREAD MORE »