ভর্তি পরীক্ষায় সফল হওয়ার কৌশল
15-august

ঢাকা, রোববার   ১৪ আগস্ট ২০২২,   ৩০ শ্রাবণ ১৪২৯,   ১৫ মুহররম ১৪৪৪

Beximco LPG Gas
15-august

ভর্তি পরীক্ষায় সফল হওয়ার কৌশল

শিক্ষাঙ্গন ডেস্ক  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৩:০৬ ১৭ মে ২০২২  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

আগামী ৩ জুন শুরু হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাণিজ্য অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা। পরদিন অর্থাৎ ৪ জুন শুরু হচ্ছে বুয়েটের প্রাক-নির্বাচনী (প্রাথমিক বাছাই) পরীক্ষা।

বুয়েট আর ঢাবি ছাড়াও এরপর ধাপে ধাপে শুরু হবে চবি, রাবি, জাবি, গুচ্ছভুক্ত কৃষি, প্রকৌশল ও ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা। এসব ভর্তি পরীক্ষার টিকে থাকার কৌশর কী? অথবা ভর্তি পরীক্ষায় সফল হওয়ার কৌশল কী? সেসব প্রশ্নের উত্তর জানাতেই বিস্তারিত।

১. বই পড়তে হবে?

ভর্তি পরীক্ষায় সফল হতে হলে বই পড়ার বিকল্প কোনোকিছুই নেই। পড়তে হবে ইউনিট ভিত্তিক বই। প্রাধান্য দিতে হবে মূল বইকেই। একাদশ আর দ্বাদশ শ্রেণির বইগুলো আয়ত্ত্ব করতে হবে। বাকিটুকু সাধারণ জ্ঞান আর ভালো কয়েকজন লেখকের বাছাই করা বই পড়তে হবে। দিন শেষে এসব বই থেকেই ভর্তি পরীক্ষার ৮০% প্রস্তুতি শেষ হয়ে যাবে।

২. কী পড়বো?

কলেজের দুই বছরেই দরকারি সব বই পড়া হয়ে যায় আমাদের। মানবিক, বিজ্ঞান আর কমার্সের বইগুলো শেষ করতে হবে সেসময় থেকেই। এসব বইয়ের বিষয় বা টপিক প্রায় সব অধ্যায়েই থাকে যা আমরা বাদ দিয়ে যাই বা না বুঝে মুখস্থ করে থাকি। ভর্তি পরীক্ষায় এমনটি চলবে না। বুঝে পড়তে হবে, নোট রাখতে হবে। টুকে রাখার সূত্রগুলো জেনে নিতে হবে। 

৩. বইয়ের বাইরে আর কী?

মূল বইয়ের বাইরেও বই পাওয়া যায়। যেগুলো বাজারের বিভিন্ন প্রকাশনী প্রকাশ করে থাকে। যেমন: প্রশ্নব্যাংক। যেখানে থাকে বিগত সালের কয়েক বছরের প্রশ্ন। যেগুলো ভর্তি পরীক্ষায় এসেছে। তাই বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নগুলো নিজে নিজে সমাধানের চেষ্টা করতে হবে।  

বড় গাণিতিক সমস্যা (BUET, RUET ইত্যাদি) এবং অবজেক্টিভ প্রশ্নগুলো (DU, KUET, SUST ইত্যাদি) অধ্যায় ভিত্তিকভাবে সমাধান করে ফেললেই তোমার প্রস্তুতি প্রায় 98% সম্পন্ন হয়ে যাবে।

৪. হাল ছেড়ো না 

ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিতে এসে হাল ছাড়া যাবে না। থেমে যাওয়াও যাবে না। নিয়মিত পড়তে হবে। যা পড়ার, যা দরকার সেব তালিকায় রাখতে হবে। এক্ষেত্রে কোচিংয়ে নির্ভরতা রাখা যেতে পারে। কারণ যেখানে টিউটোরিয়েল, টেস্ট/পরীক্ষা দিতে হবে। তবে কোচিংয়ের ফলাফলকে প্রাধান্য দেয়া যাবে না।

৫. সবশেষে

তবে মনে রাখবে, বই না পড়ে শুধু শুধু প্রশ্নব্যাংক বা বিগত বছরের প্রশ্নগুলো সমাধানের পেছনে সময় দেয়া সময়ের অপচয়। বুঝে বুঝে বই সবটুকু পড়লে নিজেই যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে। কেবল পরীক্ষার হলে নার্ভাস না হয়ে মাথা ঠান্ডা রাখতে হবে। আগের বছরের প্রশ্ন ১টা/২টা ভাগ্য ভালো হলে কমন পড়বে। সবগুলো না। প্রশ্নব্যাংক সাহায্য করবে কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রশ্নের ধরন বুঝতে, এটা গুরুত্বপূর্ণ ঠিক, তবে এটাই সব কিছু না।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম

English HighlightsREAD MORE »