মাদক মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ কাল, আদালতে আসবেন পরীমনি

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ০৬ অক্টোবর ২০২২,   ২১ আশ্বিন ১৪২৯,   ০৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

Beximco LPG Gas

মাদক মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ কাল, আদালতে আসবেন পরীমনি

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২১:২০ ১১ মে ২০২২   আপডেট: ২১:২২ ১১ মে ২০২২

পরীমনি- ফাইল ফটো

পরীমনি- ফাইল ফটো

রাজধানীর বনানী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত নায়িকা পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামীকাল বৃহস্পতিবার দিন ধার্য রয়েছে। 

ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এর বিচারক নজরুল ইসলামের আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য এ মামলার আসামি পরীমনি আদালতে উপস্থিত হবেন বলে তার আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভি জানিয়েছেন। 

এর আগে, ২৯ মার্চ পরীমনি অসুস্থ থাকায় আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি। তার পক্ষে আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভী সময়ের আবেদন করেন। এ সময় অপর দুই আসামি আদালতে উপস্থিত হন। এছাড়া আসামিপক্ষের আইনজীবী আপিল ডিভিশনের আবেদনের কপি আদালতে দাখিল করেন। এরপর পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১২ মে দিন ধার্য করেন।

এদিকে গত ৪ অক্টোবর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক কাজী মোস্তফা কামাল আদালতে পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। গত ৫ জানুয়ারি আদালত অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে আসামি পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচারের আদেশ দেন। গত ১ মার্চ এ মামলার বাদী র‌্যাব-১ এর কর্মকর্তা মজিবর রহমান আদালতে সাক্ষ্য দেন। 

গত ৪ বছরের আগস্ট অভিযান চালিয়ে পরীমনিকে তার বনানীর বাসা থেকে আটক করে র‌্যাব। অভিযানে নতুন মাদক এলএসডি, মদ ও আইস উদ্ধার করা হয়। তার ড্রয়িংরুমের কাভার্ড, শোকেস, ডাইনিংরুম, বেডরুমের সাইড টেবিল ও টয়লেট থেকে বিপুল পরিমাণ মদের বোতল উদ্ধার করা হয়। তার পরদিন র‌্যাব বাদী হয়ে রাজধানীর বনানী থানায় পরীমনি ও তার সহযোগী বিপুর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলায় দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, চিত্রনায়িকা পরীমনির বাসা থেকে জব্দ করা মাদকদ্রব্যের বৈধ কোনো কাগজপত্র ছিল না। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের পক্ষ থেকে লিখিতভাবে সিআইডিকে জানানো হয়েছে, ২০১৯-২০ অর্থবছরে পরীমনির নামে মদজাতীয় পানীয় সেবনের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছিল। গত বছরের ৩০ জুন ঐ লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়। পরীমনি বিভিন্ন স্থান থেকে এ মামলার দুই আসামি আশরাফুল ইসলাম ও কবির হোসেনের মাধ্যমে অবৈধ মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে বাসায় রেখেছিলেন। মাদকদ্রব্য রাখার বিষয়ে তিনি কোনো সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেননি। পরীমনি তার গাড়িটি মাদকদ্রব্য বহনের কাজে ব্যবহার করতেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরআর/জেডআর

English HighlightsREAD MORE »