জরাজীর্ণ সব ভবন ভেঙে ভূমিকম্প সহনীয় ভবন করা হবে: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী
15-august

ঢাকা, সোমবার   ০৮ আগস্ট ২০২২,   ২৪ শ্রাবণ ১৪২৯,   ০৯ মুহররম ১৪৪৪

Beximco LPG Gas
15-august

জরাজীর্ণ সব ভবন ভেঙে ভূমিকম্প সহনীয় ভবন করা হবে: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৭:১২ ১১ মে ২০২২   আপডেট: ১৭:৪৮ ১১ মে ২০২২

বিএসআরএফ আয়োজিত সংলাপে বক্তব্য রাখেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান- ছবি: সংগৃহীত

বিএসআরএফ আয়োজিত সংলাপে বক্তব্য রাখেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান- ছবি: সংগৃহীত

জরাজীর্ণ সব ভবন ভেঙে দেশে ভূমিকম্প সহনীয় ভবন নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান।

বুধবার সচিবালয়ে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত ‘দুর্যোগ মেকাবিলায় কতটা প্রস্তুত আমরা’ শীর্ষক সংলাপে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জরাজীর্ণ সব ভবন ভেঙে ফেলা হবে। জাপানের কারিগরি ও আর্থিক সহায়তায় ভূমিকম্প সহনীয় নকশায় এগুলো নতুন করে তৈরি করা হবে। নকশা এমনভাবে করা হচ্ছে যেন ভবনগুলোর ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প সহনশীলতা থাকে। এরই মধ্যে নির্মিত কিছু ভবন আমরা পরীক্ষা করব, কোনো দুর্বলতা থাকলে সেগুলো শক্তিশালী করা হবে। নতুন যেসব ভবন এখন হচ্ছে সেগুলো নির্মাণের ক্ষেত্রে বিএনবিসি (বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড) মানতে হবে।

তিনি বলেন, অবশ্য এক্ষেত্রে প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরের ঐতিহ্য ঘোষিত ভবনগুলোকে তালিকায় রাখা হয়নি। আমরা আবাসিক ভবনের কথা বলছি, যেখানে মানুষ বাস করছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বজ্রপাতে মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি কমাতে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে এক কোটি তালগাছের চারা লাগানোর পরিকল্পনা নেয়া হয়েছিল। ৩৮ লাখ তালগাছ লাগানোর পর দেখা গেল যত্নের অভাবে বেশিরভাগ চারা নষ্ট হয়ে গেছে। এরপর আমি দায়িত্ব নেয়ার পর এটা বাতিল করে দিয়েছি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি বজ্রপাতে মৃত্যু কমাতে সচেতনতা, প্রচারণা ও আর্লি ওয়ার্নিং সিস্টেম চালু করব। এতে ৪০ মিনিট আগেই মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে সতর্ক করা যাবে। খোলা জায়গায় যারা থাকবে, তাদের জন্য ছোট করে লাইটনিং সেন্টার ও লাইটনিং অ্যারেস্টার স্থাপন করা হবে।

বিএসআরএফ এর সাধারণ সম্পাদক মাসউদুল হকের উপস্থাপনায় সংলাপে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির সভাপতি তপন বিশ্বাস।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডআর/এইচএন

English HighlightsREAD MORE »