নববর্ষ উদযাপন: চট্টগ্রামে নিরাপত্তায় মাঠে থাকবে সোয়াটসহ ৪০০ পুলিশ
15-august

ঢাকা, বুধবার   ১৭ আগস্ট ২০২২,   ২ ভাদ্র ১৪২৯,   ১৮ মুহররম ১৪৪৪

Beximco LPG Gas
15-august

নববর্ষ উদযাপন: চট্টগ্রামে নিরাপত্তায় মাঠে থাকবে সোয়াটসহ ৪০০ পুলিশ

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২২:০০ ১৩ এপ্রিল ২০২২  

চট্টগ্রামে নববর্ষ উদযাপনে নিরাপত্তায় মাঠে থাকবে সোয়াটসহ ৪০০ পুলিশ

চট্টগ্রামে নববর্ষ উদযাপনে নিরাপত্তায় মাঠে থাকবে সোয়াটসহ ৪০০ পুলিশ

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে চট্টগ্রামে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। সাদা পোশাকে পুলিশ, বোম স্কোয়াড, ডিবি ও সোয়াট টিমে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে সাড়ে ৪০০ পুলিশ সদস্য।

বুধবার বিকেলে নগরীর সিআরবির শিরীষতলায় নববর্ষ উদযাপন ও বর্ষ বিদায় অনুষ্ঠান উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান নগর পুলিশের ডিসি (দক্ষিণ) মোহাম্মদ জসিম উদ্দীন।

তিনি বলেন, দু’বছর পর চট্টগ্রামে নববর্ষ উদযাপন হতে যাচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই মানুষের সমাগম বাড়বে। মানুষের জানমালের নিরাপত্তায় আমরা সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছি। চট্টগ্রামে বিভিন্ন সংগঠন নববর্ষ বরণের অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে। সিআরবির শিরীষতলায়, শিল্পকলা একাডেমি ও চারুকলা ইনস্টিটিউটে। নববর্ষে নিরাপত্তার অংশ হিসেবে আমরা চারুকলা, শিল্পকলাসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে মতবিনিময় করেছি। মঙ্গল শোভাযাত্রাসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সার্বিক নিরাপত্তা বজায় রাখতে সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। সাদা পোশাকে পুলিশ, বোম স্কোয়াড, ডিবি, সোয়াট টিমে মোট প্রায় সাড়ে ৪০০ পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবে। এছাড়া নগরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে থাকবে অতিরিক্ত পুলিশ। আয়োজকদেরও সব নিয়ম মেনে চলতে বলা হয়েছে।

ডিসি বলেন, নববর্ষ উদযাপনকে ঘিরে এখন পর্যন্ত কোনো হুমকির খবর পাইনি। তবু আমরা সজাগ রয়েছি যেন মানুষের নিরাপত্তায় কোনো ঘাটতি না হয়, তাদের কোনো ক্ষতি না হয়। আশা করছি, সবাই মিলেমিশে সুন্দরভাবে নববর্ষ উদযাপন করতে পারব।

এর আগে, একইদিন দুপুরে নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে ১১ দফা নির্দেশনা দেয় সিএমপি। নির্দেশনাগুলো হলো- সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় দুপুর ২টার মধ্যে নববর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠান শেষ করতে হবে। নিরাপত্তার স্বার্থে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আগতদের মুখোশ ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে। ডিসি হিল ও সিআরবি এলাকায় দর্শকদের নির্ধারিত প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ ব্যবহার করতে হবে। বিরক্তির উদ্রেক ও শব্দ দূষণকারী ভুভুজেলা, বাঁশি ইত্যাদি বাজানো থেকে বিরত থাকতে হবে। বাজি-পটকা বহন ও ফোটানো থেকে বিরত থাকতে হবে।

নির্দেশনায় আরো বলা হয়- উৎসব মুখরতা যেন জন উপদ্রবে পরিণত না হয়, সেক্ষেত্রে দায়িত্বশীলতা প্রদর্শন করতে হবে। বড় ব্যাগ, পোটলা, ব্যাকপ্যাক বহন করা যাবে না। অনুষ্ঠান উদযাপনে আগত নারী, শিশু, বয়োজ্যেষ্ঠদের প্রতি সৌজন্যমূলক আচরণ করতে হবে। সন্দেহজনক কোনো ব্যক্তি বা বস্তু দেখলে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে জানাতে হবে। যেকোনো ধরনের মাদক গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে হবে। উৎসব প্রাঙ্গণে কোনো খাবারের দোকান স্থাপন করা যাবে না। উৎসব মুখর, শান্তিপূর্ণ ও নারী-শিশুদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিতকল্পে সব ধরনের নাগরিক সহযোগিতা দিতে হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর

English HighlightsREAD MORE »