সিনহাকে স্যালুট দিয়েও হত্যায় সহযোগিতা কেন

ঢাকা, শনিবার   ০১ অক্টোবর ২০২২,   ১৫ আশ্বিন ১৪২৯,   ০৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

Beximco LPG Gas

সিনহাকে স্যালুট দিয়েও হত্যায় সহযোগিতা কেন

কক্সবাজার প্রতিনিধি  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৯:০৬ ৩১ জানুয়ারি ২০২২  

অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান (ফাইল ফটো)

অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান (ফাইল ফটো)

কক্সবাজারে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলায় বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও বরখাস্ত পরিদর্শক লিয়াকত আলীর মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেল ৪টা ২১ মিনিটে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইল এ রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণার আগে আদালত একটি পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন। এতে বলা হয়, চেকপোস্টে দায়িত্বরত সদস্যরা মেজর (অব.) সিনহার পরিচয় জানতে পেরে স্যালুট দেন। কিন্তু তারাই কেন আবার মেজর (অব.) সিনহাকে গুলি করে হত্যায় সহযোগিতা করলেন?

আরো পড়ুন: সিনহা হত্যায় প্রদীপ-লিয়াকতের মৃত্যুদণ্ড, ৬ জনের যাবজ্জীবন

পর্যবেক্ষণে আদালত আরো বলেন, লিয়াকত জবানবন্দিতে বলেছেন তিনি সিনহার হাতে পিস্তল আছে ভেবে গুলি করেছেন। এরপর প্রদীপ এসে সিনহার বুকের বাঁ পাশে লাথি মারেন।

আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, বরখাস্ত হওয়া উপ-পরিদর্শক নন্দ দুলাল রক্ষিত জবানবন্দিতে বলেছেন, লিয়াকত তাকে সিনহার সিলভার রঙের গাড়ি থামাতে নির্দেশ দেন। এরপর চেকপোস্টে সিনহা দুই হাত উঁচু করলে লিয়াকত তাকে গুলি করেন। এর কিছু সময় পর বরখাস্ত ওসি প্রদীপ এসে সিনহার উদ্দেশে বলেন, 'অনেক কষ্টের পরে তোকে পাইছি'। এরপর লাথি মারেন তিনি। প্রদীপের ভয়ে জব্দ তালিকা তৈরি করেছেন বলে জবানবন্দিতে জানান লিয়াকত।

এ হত্যাকাণ্ডে বরখাস্ত পরিদর্শক লিয়াকত ও বরখাস্ত উপপরিদর্শক নন্দ দুলাল সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন বলে প্রমাণিত হয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএডি

English HighlightsREAD MORE »