বাংলাদেশে করোনায় খাওয়ার ওষুধ ‘প্যাক্সোভির’ এর জরুরি অনুমোদন

ঢাকা, রোববার   ০৩ জুলাই ২০২২,   ১৯ আষাঢ় ১৪২৯,   ০৩ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৩

Beximco LPG Gas

বাংলাদেশে করোনায় খাওয়ার ওষুধ ‘প্যাক্সোভির’ এর জরুরি অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৮:৩৩ ৩০ ডিসেম্বর ২০২১   আপডেট: ১৬:২১ ৩১ ডিসেম্বর ২০২১

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

করোনা চিকিৎসায় খাওয়ার ওষুধ ‘প্যাক্সোভির’ এর জরুরি ব্যবহারে অনুমোদন পেয়েছে। বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এসকায়েফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড এই ওষুধটি উৎপাদন করবে। 

এটি নিরমাট্রেলভিরের বিশ্বের প্রথম জেনেরিক ভার্সন যা রিটোনাভির সঙ্গে মিলিয়ে ‘প্যাক্সোভির’ নামে বাজারজাত করা হবে।

 

বৃহস্পতিবার বিকেলে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের কর্মকর্তারা গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

করোনা চিকিৎসায় নিরমাট্রেলভির ও রিটোনাভির ট্যাবলেট জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে ইউএস ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ)। প্রাপ্তবয়স্কদের পাশাপাশি ১২ বছর বয়সী শিশুরাও এই ওষুধ সেবন করতে পারবে।

ইউকে এমএইচআরএ, অস্ট্রেলিয়া টিজিএ এবং ইউ জিএমপি অনুমোদিত অত্যাধুনিক সুবিধায় এই ওষুধ উৎপাদন করবে এসকায়েফ। সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর থেকে এই ওষুধ উৎপাদনের অনুমোদন পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

এসকায়েফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও সিমিন রহমান বলেন, পুরো পৃথিবী যখন করোনা প্রতিরোধে সফল এই খাওয়ার ট্যাবলেটের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে, তখন আমরা বিশ্বের প্রথম জেনেরিক নিরমাট্রেলভির ও রিটোনাভির সংমিশ্রণ হিসেবে প্যাক্সোভির বাংলাদেশ ও সারা বিশ্বের মানুষের জন্য নিয়ে আসতে পেরে আনন্দিত।

তিনি আরো বলেন, করোনা প্রতিরোধে ‘মানবতার সেবা’ আমাদের মূল লক্ষ্য। এই নতুন ওষুধ করোনা প্রতিরোধে অবশ্যই উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে।

আরো পড়ুন> করোনায় ২৪ ঘণ্টার সর্বশেষ তথ্য, মৃত্যু বেড়েছে ৭ গুণ

উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ কোভিড-১৯ পজিটিভ প্রাপ্তবয়স্ক এবং শিশু, যাদের বয়স কমপক্ষে ১২ বছর ও ওজন অন্তত ৪০ কেজি, তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্যাক্সোভির দেওয়া যাবে। উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ প্রায় ২ হাজার ২০০ জনের ওপর ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের ফলাফলে দেখা গেছে, নিরমাট্রেলভির ও রিটোনাভির হাসপাতালে ভর্তি বা মৃত্যুর ঝুঁকি ৮৯ শতাংশ কমিয়েছে।

বিশ্বের প্রথম জেনেরিক রেমডেসিভির ব্র্যান্ড ‘রেমিভির’ এর ক্ষেত্রেও একই পদ্ধতি অনুসরণ করে এসকায়েফ। এই ওষুধটিও ইউএস এফডিএ অনুমোদনের পরপরই বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়েছিল।

এসকায়েফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড মরহুম লতিফুর রহমান প্রতিষ্ঠিত ট্রান্সকম গ্রুপের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান। গত ৩১ বছর ধরে সুনামের সঙ্গে ওষুধ তৈরি এবং বিশ্বের ৬৫টি দেশে ওষুধ রফতানি করছে এসকায়েফ।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমএস/এআর

English HighlightsREAD MORE »