গণধর্ষণ শেষে বাড়ি ফেরার জন্য তরুণীকে ৬০ টাকা দেয় ধর্ষকরা

ঢাকা, রোববার   ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১,   আশ্বিন ১২ ১৪২৮,   ১৭ সফর ১৪৪৩

গণধর্ষণ শেষে বাড়ি ফেরার জন্য তরুণীকে ৬০ টাকা দেয় ধর্ষকরা

সিলেট প্রতিনিধি  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:৩৭ ২০ মার্চ ২০২১  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

সিলেটে গন্তব্যে পৌছে দেয়ার কথা বলে অটোরিকশায় তুলে নিয়ে এক কিশোরীকে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার অভিযুক্ত চার ধর্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার তাদের মধ্যে তিনজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। 

গ্রেফতাররা হলেন, সিলেটের ওসমানীনগরের ঘোষগাও পশ্চিমপাড়া গ্রামের মর্তজা খানের ছেলে সুরমান খান, একই উপজেলার কাপন খালপাড় গ্রামের আমজাদ খানের ছেলে জামাল খান, নিজ কুরুয়া গ্রামের আফতাব মিয়ার ছেলে সাইফুর রহমান ও হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার দুর্লভপুর মনতরা গ্রামের আরজু মিয়ার ছেলে সোহেল মিয়া। সোহেল বর্তমানে ওসমানীনগরের নিজ কুরুয়ায় বসবাস করেন।  

সিলেট মেট্রেপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার বিএম আশরাফ উল্ল্যাহ তাহের জানান, ১৯ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় অভিযুক্তরা ওই তরুণীকে দক্ষিণ সুরমার হুমায়ুন রশিদ চত্বর থেকে গন্তব্যে পৌছে দেয়ার কথা বলে অটোতে নেয়। পরে তাকে কৌশলে ওসমানীনগর থানাধীন চন্ডীত্তীয়র গ্রামের কালা চাঁদেরতলার দক্ষিণ পাশে রুনি হাওড় নামক স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে পালাক্রমে তারা ওই তরুণীকে ধর্ষণ করে। 

পরে রাত সাড়ে নয়টায় অটোরিকশায় করে দক্ষিণসুরমার লালাবাজারে তরুণীকে নামিয়ে দেয়। এসময় ভিকটিমের ফোন ও ব্যাগ এবং গাড়ি ভাড়ার জন্য ৬০ টাকা ফেরত দেয়। 

তিনি বলেন, এ ঘটনায় ২০ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ সুরমা থানায় ভিকটিমের বোন মামলা করেন।  অভিযোগ পেয়ে ঘটনার তদন্তের নামে পুলিশ। পরে দীর্ঘ তদন্ত ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে গত বৃহস্পতিবার প্রথমে ধর্ষক সুরমান খানকে গ্রেফতার করে। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্ত ধর্ষকদের গ্রেফতার করে।

শুক্রবার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ২য় আদালতে গ্রেফতার সোহেল মিয়া, জামাল খান ও সাইফুর রহমান বাবুল ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএস