অস্ত্র মামলায় বিচারের ‍মুখোমুখি স্বাস্থ্যের গাড়িচালক মালেক

ঢাকা, সোমবার   ২৯ নভেম্বর ২০২১,   অগ্রহায়ণ ১৫ ১৪২৮,   ২২ রবিউস সানি ১৪৪৩

অস্ত্র মামলায় বিচারের ‍মুখোমুখি স্বাস্থ্যের গাড়িচালক মালেক

নিজস্ব প্রতিবেদক  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১১:৪০ ১১ মার্চ ২০২১   আপডেট: ১৩:০৯ ১১ মার্চ ২০২১

স্বাস্থ্য অধিদফতরের গাড়িচালক আবদুল মালেক ওরফে বাদল- ফাইল ফটো

স্বাস্থ্য অধিদফতরের গাড়িচালক আবদুল মালেক ওরফে বাদল- ফাইল ফটো

অস্ত্র আইনে করা মামলায় স্বাস্থ্য অধিদফতরের গাড়িচালক আবদুল মালেক ওরফে বাদলের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচারকাজ শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালত আসামির অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে এ আদেশ দেন। 

এসময় আদালত সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৪ এপ্রিল থেকে ৮ এপ্রিল পর্যন্ত দিন ধার্য করেন। 

সংশ্লিষ্ট আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) তাপস কুমার পাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এ মামলার অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ ছুটিতে ছিলেন। এজন্য ঢাকার অতিরিক্ত তৃতীয় মহানগর দায়রা জজ রবিউল আলমেরমের আদালত  অভিযোগ গঠন শুনানির নতুন এ দিন ধার্য করেন।

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি আদালত মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। এর আগে গত ১১ জানুয়ারি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা র‍্যাব-১ এর উপ-পরিদর্শক মেহেদী হাসান চৌধুরী ১৩ জনকে সাক্ষী করে আসামি মালেকের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। 

গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর ভোরে রাজধানীর তুরাগ এলাকা থেকে গাড়িচালক আবদুল মালেক ওরফে ড্রাইভার মালেককে গ্রেফতার করে র‌্যাব। এ সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, পাঁচ রাউন্ড গুলি, দেড় লাখ বাংলাদেশি জাল নোট, একটি ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় র‌্যাব-১ এর পুলিশ পরিদর্শক আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে মামলা দুটি দায়ের করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, রাজধানীর তুরাগে গাড়িচালক আবদুল মালেকের রয়েছে ২৪টি ফ্ল্যাট বিশিষ্ট সাত তলার দুটি বিলাসবহুল বাড়ি। একই এলাকায় ১২ কাঠার প্লট। এছাড়া, হাতিরপুলে ১০ তলা ভবনের নির্মাণকাজ চলছে। 

এতে আরো বলা হয়েছে, অধিদফতরের কর্মচারী হলেও মালেক ছিলেন প্রভাবশালী। তিনি অধিদফতরের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির নিয়োগ, বদলি নিয়ন্ত্রণ করতেন। তার কথামতো কর্মকর্তারা কাজ না করায় তাদের নানাভাবে হয়রানি বা শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। 

এজাহারে আরো উল্লেখ করা হয়, মালেক একজন তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী হলেও নিজে ব্যবহার করতেন পাজেরো গাড়ি। এছাড়া, স্বাস্থ্য অধিদফতরের যেসব চালক আছেন, তাদের তেল চুরির টাকার বেশিরভাগই মালেকের পকেটে যেতো। রাতারাতি বিপুল পরিমাণ টাকার মালিক বনে যান। এসব টাকা দিয়ে মালেক ঢাকা শহরে একাধিক আলিশান বাড়ি, ফ্ল্যাট ছাড়াও ব্যাংকে বিপুল পরিমাণ টাকা রেখেছেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ