নদীর পাড়ে নিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, একজনের যাবজ্জীবন

ঢাকা, শনিবার   ০৮ মে ২০২১,   বৈশাখ ২৬ ১৪২৮,   ২৫ রমজান ১৪৪২

নদীর পাড়ে নিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, একজনের যাবজ্জীবন

বরগুনা প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২১:৩৪ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১  

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

বরগুনায় এক তরুণীকে ধর্ষণের দায়ে মো. শাহীন নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। সেই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। রোববার দুপুরে বরগুনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এই রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত শাহীন বরগুনা পৌর শহরের এলাকার উকিল পট্টি বাসিন্দা সফিজ উদ্দিন আহমেদের ছেলে। 

এছাড়া ৩২৬ ধারায় ১০ বছর কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩০৭ ধারায় ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করে আদালত।

পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, আসামি শাহীনের সঙ্গে বরগুনা সদর উপজেলার কেওড়াবুনিয়া এলাকার এক তরুণীর প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। বিষয়টি তরুণীর পরিবার জানতে পেরে তাকে শাহীনের সঙ্গে মেলামেশা করতে নিষেধ করেন। এ ঘটনার পর তরুণী তার এক স্বজনের বাড়ি বেড়াতে যান। সেখান থেকে ওই তরুণী কুয়াকাটায়ে যান। পরদিন সেখান থেকে ফিরে বরগুনা শহরের টাউনহল এলাকায় শাহীনের সঙ্গে দেখা হয়। সেখানে অনেকক্ষণ কাথাবার্তা শেষে আসামি শাহীন তাকে ঢাকা নিয়ে যেতে চাইলে ওই তরুণীও রাজি হন।

পরে রাত আনুমানিক ৯টার দিকে শাহীন একটি মোটরসাইকেল নিয়ে বের হন। শাহীন ওই তরুণীকে নিয়ে বরগুনা সদর উপজেলার গৌরিচন্না ইউনিয়নের পশ্চিম ধুপতি এলাকার নদীর পাড়ে নিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে বটি দিয়ে ওই তরুণীর গলার ডানপাশে দুটি কোপ দেন। এ সময় মৃত ভেবে নদীর পাড়ে ফেলে চলে যান শাহীন।

অনেক খোঁজাখুজির পর ঘটনার পরদিন সকালে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তরুণীর বাবা বাদী হয়ে ২০০৮ সালের জুন মাসে বরগুনা সদর থানায় শাহীনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে পুলিশ ২০০৮ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ সরকারি কৌসুলি (পিপি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আমরা এই রায়ে সন্তষ্ট।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএম