সিলেটে কবর থেকে তোলা হলো রায়হানের মরদেহ

ঢাকা, মঙ্গলবার   ১৫ জুন ২০২১,   আষাঢ় ১ ১৪২৮,   ০৩ জ্বিলকদ ১৪৪২

সিলেটে কবর থেকে তোলা হলো রায়হানের মরদেহ

সিলেট প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১১:২৯ ১৫ অক্টোবর ২০২০   আপডেট: ১২:১৮ ১৫ অক্টোবর ২০২০

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

পুনঃময়নাতদন্তের জন্য সিলেটে পুলিশের নির্যাতনে নিহত রায়হানের মরদেহ কবর থেকে তুলেছে (পুলিশ ব্যুরো ইনভেস্টিগেশন) পিবিআই। 

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সজিব আহমেদ ও মেজবাহ উদ্দিনের উপস্থিতিতে আখালিয়া জামে মসজিদ সংলগ্ন কবরস্থান থেকে মরদেহ তোলেন পিবিআই সদস্যরা। 

মরদেহ তোলার পর পুনরায় ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পুলিশের পাহারায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, পিবিআই তদন্ত কর্মকর্তা মাহিদুল হাসান, ৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মখলিছুর রহমান কামরান।

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

এর আগে গত রোববার ময়নাতদন্তের পর ওই কবরস্থানে তার মরদেহ দাফন করা হয়। পরে পুনরায় ময়নাতদন্তের জন্য রায়হানের মরদেহ কবর থেকে তোলার আবেদন করেছিলেন মামলার তদন্তক কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার এসআই আব্দুল বাতেন। তার আবেদনের প্রেক্ষিতেই রায়হান আহমদের মরদেহ কবর থেকে তোলার অনুমতি দেন ডিসি।

গত রোববার সকালে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সিলেট নগরের নেহারীপাড়ার মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে রায়হান আহমদ। মারা যাওয়ার পর পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ছিনতাইকালে গণপিটুনিতে তার মৃত্যু হয়েছে। তবে তার পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশ হেফাজতে নির্যাতন করে রায়হানকে মেরে ফেলার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ওই দিন রাতে তার স্ত্রী তানিয়া আক্তার তিন্নি বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

পরদিন সোমবার এ ঘটনায় বন্দরবাজার ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আকবর হোসেন ভূইয়াসহ চার পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত ও তিনজনকে প্রত্যাহার করা হয়। এদিকে রায়হানের স্ত্রীর দায়ের করা মামলটি কোতোয়ালি থানা থেকে পিবিআইতে হস্তান্তর করা হয়। মঙ্গলবার রাতে আনুষ্ঠানিকভাবে মামলার নথিপত্র পিবিআই-কে হস্তান্তর করে এসএমপি। এরপর বুধবার থেকে রায়হান হত্যার তদন্তে নেমেছে পিবিআই। 

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে