কিশোরীকে ধর্ষণের ১৯ বছর পর বিচার পেল তার পরিবার

ঢাকা, শনিবার   ১৯ জুন ২০২১,   আষাঢ় ৭ ১৪২৮,   ০৭ জ্বিলকদ ১৪৪২

কিশোরীকে ধর্ষণের ১৯ বছর পর বিচার পেল তার পরিবার

কক্সবাজার প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০১:০৩ ১৫ অক্টোবর ২০২০  

ডেইলি বাংলাদেশ: প্রতীকী ছবি

ডেইলি বাংলাদেশ: প্রতীকী ছবি

কক্সবাজারে ১৯ বছর পর ধর্ষণ মামলার অভিযুক্ত আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। গতকাল মঙ্গলবার ২০০১ সালে দায়ের হওয়া ধর্ষণ মামলার রায় দেয়া হয়।

এতে প্রধান অভিযুক্তকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালত-১ এর বিচারক মোসলেহ্ উদ্দিন। একইসঙ্গে আসামিকে ৫০ হাজার টাকা আর্থিক জরিমানাও করা হয়েছে।

অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেয় আদালত। মামলায় সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ না হওয়া তাদের বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলো।

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত নুরুল হুদা কক্সবাজার সদর উপজেলার মধ্যম নাপিতখালী এলাকার ছিদ্দিক আহমদের ছেলে।

রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে পিপি অ্যাডভোকেট বদিউল আলম সিকদার বলেন, মামলায় বাদী, ভিকটিম, তদন্ত কর্মকর্তাসহ ছয় জন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করে আদালত। সাক্ষীদের সাক্ষ্য আসামি নুরুল হুদার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় আদালত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে যাবজ্জীবন সাজার রায় ঘোষণা করেন।

মামলার এজাহারের বিষয়ে পিপি জানান, ২০০১ সালের ১৭ এপ্রিল রাতে বাদীর আঙিনা থেকে মেয়েকে অপহরণ করে নিয়ে ধর্ষণ করে আসামিরা। এ ঘটনায় ধর্ষণের শিকার কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে নুরুল হুদাকে প্রধান আসামি করে আটজনের বিরুদ্ধে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। ওই সময় আদালত অভিযোগটি নিয়মিত মামলা হিসেবে রুজু করে কক্সবাজার সদর থানাকে তদন্ত প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দেয়।

আদালতের নির্দেশ পেয়ে অভিযোগটি নিয়মিত মামলা হিসেবে রুজু করে কক্সবাজার সদর থানা। সদর থানা পুলিশের এসআই সোলাইমান চৌধুরী মামলাটি তদন্ত করে ২০০১ সালের ১৭ জুলাই আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেন। আদালত অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে চার্জ গঠন করে ছয় সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করে ও যুক্তিতর্ক শেষে গতকাল মঙ্গলবার চূড়ান্ত রায় দেয়।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএম