কনডেম সেলে প্রথম রাত যেমন কাটলো মিন্নির

ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৬ জানুয়ারি ২০২১,   মাঘ ১২ ১৪২৭,   ১১ জমাদিউস সানি ১৪৪২

কনডেম সেলে প্রথম রাত যেমন কাটলো মিন্নির

বরগুনা প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:২১ ১ অক্টোবর ২০২০   আপডেট: ১৬:১১ ২ অক্টোবর ২০২০

আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি

আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি

বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি এখন আছেন বরগুনা জেলা কারাগারের কনডেম সেলে। এ মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বাকি পাঁচ আসামিও আছে সেখানে। তবে মিন্নিকে রাখা হয়েছে কনডেম সেলের নারী ইউনিটে।

কনডেম সেলে প্রথম রাত কেমন কাটলো মিন্নির? জানিয়েছেন বরগুনা জেলা কারাগারের জেল সুপার আনোয়ার হোসেন।

তিনি জানান, প্রথম রাতটা মিন্নির জন্য ছিল দারুণ হতাশার। রাতে মোটেও ঘুমাতে পারেননি। নিজের মৃত্যুদণ্ডের রায়কে বিশ্বাসই করতে পারেননি তিনি। রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় মিন্নিসহ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ছয় আসামিই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন।

জেল সুপার জানান, বন্দিরা কখনো সেল থেকে বাইরে বের হতে পারবেন না। মাসে একবার তার স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে পারবেন। এছাড়া সপ্তাহে একবার তারা ফোনে তাদের স্বজনদের সঙ্গে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কথা বলতে পারবেন।

তিনি আরো জানান, কারাবিধি অনুযায়ী ছয় বন্দিকেই কনডেম সেলে থালা, বাটি ও কম্বল দেয়া হয়েছে। এছাড়া প্রতি আসামিকে কারাগারের পক্ষ থেকে দুই সেট পোশাক দেয়া হয়েছে। এ পোশাকই তারা পরিধান করবেন।

২০১৯ সালের ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে নয়ন বন্ড ও তার সহযোগী সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে রামদা দিয়ে কুপিয়ে রিফাত শরীফকে গুরুতর আহত করে। এরপর বীরদর্পে অস্ত্র উঁচিয়ে এলাকা ছাড়েন তারা। গুরুতর আহত রিফাত বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওইদিনই মারা যান। এ ঘটনায় পরদিন মামলা করেন নিহত রিফাতের বাবা আব্দুল হালিম দুলাল শরীফ।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) আলোচিত এ মামলায় নিহত রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিসহ ছয় আসামির মৃত্যুদণ্ড ও চারজনকে খালাসের রায় দেয় আদালত। এছাড়া সাজাপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রিফাত ফরাজী, আল কাইয়ুম ওরফে রাব্বি আকন, মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত, রেজোয়ান আলী খান হৃদয় ওরফে টিকটক হৃদয়, মো. হাসানও আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি।

খালাসপ্রাপ্তরা হলেন- মো. মুসা, রাফিউল ইসলাম রাব্বি, মো. সাগর, কামরুল হাসান সায়মুন।

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর