যে কারণে রিফাত হত্যায় চারজনকে খালাস দেয়া হলো

ঢাকা, মঙ্গলবার   ০১ ডিসেম্বর ২০২০,   অগ্রহায়ণ ১৭ ১৪২৭,   ১৪ রবিউস সানি ১৪৪২

যে কারণে রিফাত হত্যায় চারজনকে খালাস দেয়া হলো

বরগুনা প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:৫১ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০   আপডেট: ১৫:৪১ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০

রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় খালাস পাওয়া রাব্বি, সাগর, সায়মুন, মুসা

রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় খালাস পাওয়া রাব্বি, সাগর, সায়মুন, মুসা

বরগুনার আলোচিত শাহনেওয়াজ রিফাত ওরফে রিফাত শরীফ হত্যা মামলার প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির মধ্যে চারজনকে খালাস দিয়েছে আদালত। তারা হলেন- রাফিউল ইসলাম রাব্বি, মো. সাগর, কামরুল ইসলাম সায়মুন, মো. মুসা।

বুধবার দুপুরে বরগুনা জেলা জজ আদালতের বিচারক মো. আসাদুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন। এ সময় মিন্নিসহ ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই আদালত প্রাঙ্গণে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়।

যে কারণে খালাস দেয়া হয় চারজনকে-

রাফিউল ইসলাম রাব্বি
রিফাত হত্যা মামলায় প্রত্যক্ষভাবে অংশ নেয়া নয়ন বন্ড, রিফাত ফরাজী ও মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাতের ঘনিষ্ঠ বন্ধু রাফিউল ইসলাম রাব্বি। হত্যাকাণ্ডের সময় সরাসরি হত্যাকাণ্ডে অংশ না নিলেও বিষয়টি জেনেও আসামি মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাতকে আশ্রয় ও পালাতে সহযোগিতা করেন রাব্বি।

মো. সাগর
রিফাত ফরাজী-নয়ন বন্ডের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও বন্ড ০০৭ মেসেঞ্জার গ্রুপের একজন সক্রিয় সদস্য মো. সাগর। হত্যার দিন মেসেঞ্জার গ্রুপে সবাইকে কলেজে দেখতে চাই পোস্টে সাগর বিজয়সূচক চিহ্ন দিয়েছিলো। এছাড়া হত্যার পরিকল্পনা সম্পর্কেও সে অবগত ছিলো।

কামরুল ইসলাম সায়মুন
আসামি নয়ন বন্ড, রিফাত ফরাজী ও রাব্বি আকনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু কামরুল ইসলাম সায়মুন। রিফাত শরীফকে হত্যার বিষয়টি জেনেও নিজের মোটরসাইকেল দিয়ে পালাতে সহায়তা করার অভিযোগ তোলা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।

মো. মুসা ওরফে মুসা বন্ড
মুসা বন্ড ০০৭ গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম। রিফাত ফরাজী ও নয়ন বন্ডের অন্যতম প্রধান সহচর। রিফাত শরীফ হত্যা মামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী এই মুসা। পরিকল্পনা অনুযায়ী রিফাত শরীফ যেন পূর্ব দিকে পালাতে না পারেন তার জন্য অবস্থান নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন। প্রাপ্তবয়স্ক আসামিদের মধ্যে একমাত্র তিনিই পলাতক।

২০১৯ সালের ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে নয়ন বন্ড ও তার সহযোগী সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে রামদা দিয়ে কুপিয়ে রিফাত শরীফকে গুরুতর আহত করে। এরপর বীরদর্পে অস্ত্র উঁচিয়ে এলাকা ছাড়েন তারা। গুরুতর আহত রিফাত বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওইদিনই মারা যান।

ওই বছরের ১ সেপ্টেম্বর রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় রিফাতের স্ত্রী মিন্নিসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চার্জশিট দেয় পুলিশ। একইসঙ্গে রিফাত হত্যা মামলার এক নম্বর আসামি নয়ন বন্ড বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়ায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর