মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় যেসব আলামত পেল সিআইডি

ঢাকা, রোববার   ২৯ নভেম্বর ২০২০,   অগ্রহায়ণ ১৫ ১৪২৭,   ১২ রবিউস সানি ১৪৪২

মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় যেসব আলামত পেল সিআইডি

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২৩:০১ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২০   আপডেট: ২৩:০৮ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২০

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

নারায়ণগঞ্জের পশ্চিম তল্লা বাইতুস সালাত জামে মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় পুলিশের দায়েরকৃত মামলার আলামত বুঝে পেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি।

রোববার মামলার আলামত ও কাগজপত্র ফতুল্লা পুলিশের পক্ষ থেকে সিআইডিকে হস্তান্তর করা হয়েছে।  

সরেজমিনে দেখা যায় ফতুল্লার পশ্চিম তল্লা বাইতুস সালাত জামে মসজিদে ভয়াবহ বিস্ফোরণের নয় দিন পর পুড়ে যাওয়া বিভিন্ন আসবাবপত্র আলামতের জব্দ তালিকা ধরে সেগুলো বস্তাবন্দি করেছেন পুলিশ।

রোববার দুপুরে ফতুল্লা থানার এএসআই বারেকের নেতৃত্বে পুলিশ মসজিদের ভেতরে প্রবেশ করে ক্ষতিগ্রস্ত ফ্যান, চেয়ার, দেয়াল ঘড়ি ও জুতা রাখার বাক্সসহ পুড়ে যাওয়া সব আসবাবপত্র সংগ্রহ করে আলামতগুলো বস্তায় ভরে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক বাবুল হোসেন বলেন, আলামত দেখেছি এবং কাগজপত্র বুঝে পেয়েছি। স্থান সংকুলন না হওয়ায় আলামতগুলো ফতুল্লা পুলিশের মালখানায় রাখা হচ্ছে। মামলার তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন পেশ করার সময় সব আলামত আদালতের কাছে বুঝিয়ে দেয়া হবে। কোনো আলামত তদন্ত কাজে প্রয়োজন হলে বা নিরীক্ষনের প্রয়োজন হলে ফতুল্লা থানার মালখানা থেকেই সংগ্রহ করা হবে।

আরো পড়ুন >>> বাইতুস সালাত মসজিদের সামনে আবারো গ্যাস বের হচ্ছে

গত ৬ সেপ্টেম্বর ফতুল্লা মডেল থানার এসআই হুমায়ুন কবির বাদী হয়ে মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় গাফলতির অভিযোগ এনে মামলাটি দায়ের করেন।

বি‌স্ফোর‌ণের পর তিতাস কর্তৃপক্ষ মসজিদের তিন পাশে গ্যা‌সের লাইনের অবস্থান ও লিকেজ অনুসন্ধান করতে মাটি খোঁড়াখুঁড়ি করলে গর্তের সৃষ্টি হয়। গর্তের মাটি মসজিদের সামনের রাস্তার বিভিন্ন স্থানে স্তুপ করে রাখায় এলাকাবাসীর চলাচলে অসুবিধা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

টানা চারদিন খোঁড়াখুঁড়ির করে গ্যাসের পাইপ লাইনে ছয়টি লিকেজও পায় তারা। তবে আর লিকেজ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকায় রাস্তাটি মানুষের চলাচলের উপযোগী করতে গত শুক্রবার থেকে খোঁড়াখুঁড়ির কাজ বন্ধ করে গর্ত ভরাটের কাজ শুরু করে তিতাস কর্তৃপক্ষ।

গত ৪ সেপ্টেম্বর রাতে পশ্চিম তল্লা বাইতুস সালাত জামে মসজিদে এশার নামাজ চলাকালে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দগ্ধ ৩৮ জনকে ঢাকা মেডিকেলের শেখ হাসিনা বার্ন ইউস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩১ জন মারা যান। একজন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বাকি পাঁচজনকে আইসিউতে রাখা হয়েছে।

এ ঘটনায় জেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস, তিতাস, ডিপিডিসি ও সিটি কর্পোরেশন থেকে পৃথক পাঁচটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেনি।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে