সাজেক ভ্যালির নতুন রূপে মুগ্ধ পর্যটকরা

ঢাকা, মঙ্গলবার   ০১ ডিসেম্বর ২০২০,   অগ্রহায়ণ ১৭ ১৪২৭,   ১৪ রবিউস সানি ১৪৪২

সাজেক ভ্যালির নতুন রূপে মুগ্ধ পর্যটকরা

রাঙামাটি প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৯:২৭ ২ সেপ্টেম্বর ২০২০   আপডেট: ১৯:৩২ ২ সেপ্টেম্বর ২০২০

নতুন রূপে সাজেক ভ্যালি। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

নতুন রূপে সাজেক ভ্যালি। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

করোনাভাইরাসের কারণে পাঁচ মাস ১৩ দিন বন্ধ থাকার পর বেড়ানোর জন্য বিভিন্ন শর্তে সীমিত পরিসরে উন্মুক্ত হয়েছে সাজেক ভ্যালি। চালু হয়েছে কটেজ-রিসোর্ট, খাবারের দোকান। আঁকাবাঁকা পাহাড়ি পথে ফের নেমেছে চাঁদের গাড়ি। এ যেন আগের দৃশ্যে ফেরার চেষ্টা।

সেপ্টেম্বরের প্রথম ‍দিন সাজেক উন্মুক্তের পরই রাঙামাটির সাজেক ভ্যালিতে পর্যটকদের আনাগোনা দেখা যাচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শুরুর দিকে পর্যটকের সংখ্যা কিছুটা কম থাকলেও সামনের দিনগুলোতে বাড়বে। এতে করে দীর্ঘদিনের ক্ষতি পুষিয়ে ফের ঘুরে দাঁড়াবে সাজেকের পর্যটন সংশ্লিষ্টরা।

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আহসান হাবিব জিতু বলেন, দু’দিন আগে সাজেক ভ্যালি খুলে দেয়া হয়েছে। যতটুকু জেনেছি, পর্যটকরা মোটামুটি আসছেন। স্বাস্থ্যবিধি মানতে কটেজ-মালিকদের কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

নতুন রূপে সাজেক ভ্যালি। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

কটেজ মালিক সমিতি স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে নিজেরাও মনিটরিং টিম গঠন করেছেন। যারা স্বাস্থ্যবিধি মানবেন না তাদের পাঁচ হাজার  টাকা জরিমানার বিধান করা হয়েছে। সাজেক কটেজ মালিক সমিতির সভাপতি সুপর্ণ দেব বর্মণ বলেন, প্রথমদিক হিসেবে মোটামুটি ভালোই পর্যটক এসেছে। আশা করছি, সামনের ছুটির দিনগুলোতে পর্যটক ও স্থানীয়দের জনসমাগম আরো বাড়বে।

সাজেকে অবস্থিত এভারেস্ট রিসোর্টের স্বত্ত্বাধিকারী মোসলেম উদ্দিন জানান, সাজেক মালিক সমিতির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতিটি ডাবল বেডের রুমের প্রতিটি বেডে একজনের বেশি থাকতে দেয়া হচ্ছে না। যারা সাজেক ভ্যালি প্রবেশ করছেন; প্রবেশ পথেই তাদের শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা করা হচ্ছে। প্রবেশের পর বাহিরে ঘোরাঘুরি করলেই মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। রিসোর্টের কর্মকর্তা নিজেরাও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েন সাহেদ আলম। পর্যটকদের জন্য সাজেক উন্মুক্ত করার পরই তিনি চল আসেন। তিনি বলেন, করোনাভাইরাস দেশে তাণ্ডব চালানোর আগে এসেছিলাম। তখনকার পরিবেশের চেয়ে এখন বেশি সুন্দর লাগছে। যেন নতুন এক সাজেক।

সাজেকের উদ্দেশে খাগড়াছড়ি থেকে ছেড়ে চাঁদের গাড়ির লাইনম্যান অরুণ কুমার দে জানিয়েছেন, প্রথম দুইদিনে খাগড়াছড়ি থেকে ২০টির মতো চাঁদের গাড়ি সাজেকের উদ্দেশে পর্যটক নিয়ে গেছে। এছাড়া স্থানীয় অনেকেই মোটরসাইকেল কিংবা অন্যান্য বাহনে সাজেকে গেছেন। শুক্র-শনিবার ও সরকারি ছুটির দিনে এ সংখ্যা আরো বাড়বে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এনকে