শিশু ধর্ষণে অভিযুক্তের পালানোর চেষ্টা, পায়ে গুলি করে আটকালো পুলিশ

ঢাকা, রোববার   ২৯ নভেম্বর ২০২০,   অগ্রহায়ণ ১৫ ১৪২৭,   ১২ রবিউস সানি ১৪৪২

শিশু ধর্ষণে অভিযুক্তের পালানোর চেষ্টা, পায়ে গুলি করে আটকালো পুলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:১৬ ১৫ আগস্ট ২০২০  

পালানোর সময়ে পায়ে গুলি লেগে আহত অবস্থায় পড়ে আছে অভিযুক্ত দালপাত

পালানোর সময়ে পায়ে গুলি লেগে আহত অবস্থায় পড়ে আছে অভিযুক্ত দালপাত

ভারতের উত্তরপ্রদেশে পশ্চিমাঞ্চলীয় হাপুর জেলার ছয় বছরের এক শিশুকে অপহরণ করে ধর্ষণ করেছে দালপাত নামের এক যুবক। প্রায় এক সপ্তাহ পরে তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারের পরে পালানোর সময় ওই অভিযুক্তের পায়ে গুলি করেছে পুলিশ।

এক বিবৃতিতে হাপুর পুলিশ প্রধান সঞ্জিব সুমন জানিয়েছেন, অভিযুক্ত দালপাতকে শুক্রবার গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তের জন্য ধর্ষণের ওই ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয় দালপাতকে। সেখান থাকে পালানোর জন্য এক পুলিশ সদস্যের কাছ থেকে পিস্তল ছিনিয়ে নিয়ে গুলি চালানোর চেষ্টা করে সে। এরপর তাকে আটকাতে পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ। তার পায়ে গুলি চালানো হয় এরপর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এর আগে, অপহরণ ও ধর্ষণের ওই ঘটনার পর তদন্তকারী পুলিশদের বোকা বানাতে একটা জলাশয়ের নিজের কিছু কাপড় ও সুইসাইড নোট রেখেছিলো ওই অভিযুক্ত। সুইসাইড নোটে লেখা ছিলো, পুলিশের এনকাউন্টারে মরতে চাই না। তাই আত্মহত্যা করলাম। নোট পাওয়া সত্ত্বেও অভিযুক্তের সন্ধানে হাপুর ও তার পাশের জেলাগুলোতে তল্লাশি অভিযান জোরদার করেছিলো পুলিশ।

চলতি সপ্তাহের শুরুতে অভিযুক্ত দালপাতকে ধরতে তার একটি স্কেচ প্রকাশ করা হয়েছিলো। ভুক্তভোগীর পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ শুনেই প্রকাশ করা হয়েছিলো সেই স্কেচ। এছাড়া অভিযুক্তকে খুঁজতে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কারও ঘোষণা করা হয়েছিলো।

এক বিবৃতিতে পুলিশ জানিয়েছে, মীরাটের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ধর্ষণের শিকার ওই শিশু। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, গত সপ্তাহে বাড়ির সামনে থেকেই বাইকে চড়ে এসে শিশুটিকে অপহরণ করেছিলো ওই অভিযুক্ত। সেদিন সন্ধ্যায় শিশুটির পরিবার থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করে। এরপর তল্লাশি অভিযান শুরু করে পুলিশ। পরেরদিন গ্রামের এক ঝোপের ধারে রক্তাক্ত ও ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় সেই শিশুটিকে। প্রথমে তাকে স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। সেখানকার চিকিৎসকরা নিশ্চিত করে যে শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এরপর তাকে মীরাটের স্পেশালিস্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে একটি অস্ত্রোপচারের পর স্থিতিশীল হয় শিশুটি। তবে এখনো বিপদমুক্ত না সে।

সূত্র- এনডিটিভি

ডেইলি বাংলাদেশ/এসএমএফ