চাল ডিলারদের কঠোর হুঁশিয়ারি চেয়ারম্যানের

ঢাকা, সোমবার   ৩০ নভেম্বর ২০২০,   অগ্রহায়ণ ১৭ ১৪২৭,   ১৩ রবিউস সানি ১৪৪২

চাল ডিলারদের কঠোর হুঁশিয়ারি চেয়ারম্যানের

গোদাগাড়ী (রাজশাহী) প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:১৮ ২০ এপ্রিল ২০২০  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় গত শনিবার সরকারি চাল কেলেঙ্কারি ঘটনার পর উপজেলার সব চাল ডিলারদের দুর্নীতি রোধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম।

রাজশাহী-১ আসনের এমপি ও সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী ওমর ফারুক চৌধুরীর নির্দেশনায় সোমবার বেলা ১১টায় উপজেলা মিলনায়তনে ইউএনও নাজমুল ইসলাম সরকারের সভাপতিত্বে এক জরুরি সভা বসে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম।

এ সভায় গোদাগাড়ী উপজেলার ৯টি ইউপি ও দুটি পৌরসভার খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি ও ১০ টাকা কেজি ওএমএস চালের ২৮ জন ডিলার উপস্থিত ছিলেন।

শুরুতেই উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বলেন, করোন সংক্রমণ বিশ্বে আজ মহামারিতে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশও ক্রান্তিলগ্ন সময় পার করছে। সারা দেশের বিভিন্ন জায়গাতেও আপনার মিডিয়ার মাধ্যমে দেখতে  পাচ্ছেন ত্রাণের চাল চুরি করে ধরা পড়ছে  ও শাস্তি হচ্ছে। গোদাগাড়ীতেও এমন ঘটনা ঘটলো তা দুঃখজনক। এমন বদনাম নিয়ে আমাদের পরিচয় বহন করা খুব লজ্জার। তাই বলি যা ঘটনা ঘটছে তা থেকে শিক্ষা নিয়ে আপনারা যারা চাল ডিলার আছেন তারা সততার সঙ্গে চাল বিক্রি করবেন। কোনো দুর্নীতি সহ্য করা হবে না ।
 
চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীর কঠোর হুঁশিয়ারি বার্তা দিয়ে বলেন, যদি কোনো ডিলার মনে করেন তাদের ডিলারি করে ব্যবসায় লাভ হচ্ছে না তাহলে ছেড়ে দেন। আমাদের কাছে তথ্য আছে ডিলাররা নিজেদের ভাই, ভতিজা, নানা, চাচা, খালুর নামে কার্ড তৈরি করে নিজেরাই চাল তুলে খান। তাই সেগুলো নিজেরা সংশোধন করে নেন নইলে কোনো ছাড় হবে না। ইউএনও তাদের বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

তিনি বলেন, পাকড়ী আওয়ামী লীগের সভাপতি চাল নিয়ে ধার পড়েছে আমরা কেউ তার জন্য সুপারিশ করিনি। এ সময় আপন আপন বাঁচতে হবে, কেউ কারো না। এছাড়াও এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীর এটাও বলে দিয়েছেন যে, কেউ যদি ১ কেজির চালেরও অনিয়ম করে তাকেও ছাড় নেই। আইনের আওতায় এনে শাস্তি প্রদান করা হবে। প্রধান মন্ত্রী দরিদ্রদের জন্য সাহায্য করছে আর তা কেউ মেরে খাবে তা হতে দেয়া হবে না।

ইউএনও নাজমুল ইসলাম সরকার বলেন, আমি গোদাগাড়ীতে রাজনীতি করতে আসিনি। সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে দাফতরিক কাজ করতে এসেছি। আমি আমার দায়িত্ব পালনে চুল পরিমাণ পিছু হটবো না।

এই সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, গোদাগাড়ী উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. জামাল উদ্দিন, উপজেলা কৃষি অফিসার শফিকুল ইসলাম সরকার, উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আলমগীর কবির তোতা, গোদাগাড়ী প্রেস ক্লাবের দফতর সম্পাদক এম. আব্দুল বাতেন, গোদাগাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান রুহুল আমিন, মাটিকাটা ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. নয়ন আলী, চর আষাড়িয়াদহ ইউপি চেয়ারম্যান মো. সানাউল্লাহ প্রমুখ।

 

 

 

 

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ