বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগের প্রতিবাদে মিছিল

ঢাকা, সোমবার   ১৪ জুন ২০২১,   আষাঢ় ১ ১৪২৮,   ০২ জ্বিলকদ ১৪৪২

বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগের প্রতিবাদে মিছিল

বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধি  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৭:৫৭ ১৪ নভেম্বর ২০১৯   আপডেট: ১৯:৪১ ১৪ নভেম্বর ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নেপালী শিক্ষার্থী সুমি সিং সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ এনে বুধবার কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। তার এই অভিযোগের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল করেছে শিক্ষার্থীদের একাংশ। 

বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটায় এ প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। 

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী  সমাজ বিজ্ঞান বিভাগ ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী আসাদুজ্জামান বলেন, হুমায়ুন কবির স্যার অত্যন্ত ভালো মানুষ।  তিনি আমাদের সব ন্যায্য আন্দোলনসহ শিক্ষার্থীদের পাশে ছিলেন। কিন্তু একদল কুচক্রী মহল স্যারের বিরুদ্ধে কোনরকম প্রমাণাদি ছাড়া এসব কুৎসা রটাচ্ছে। 

এদিকে শিক্ষার্থী সুমি সিং ডেইলি বংলাদেশকে জানান, স্যারের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির সব প্রমাণাদি রেজিস্ট্রার বরাবর জমা দিয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে এ বিষয় যথাযথ বিচার আশা করছি।

অভিযুক্ত শিক্ষক হুমায়ুন কবির বলেন, সাবেক ভিসি খোন্দকার নাসিরউদ্দিনের নির্দেশে শিক্ষার্থীদের উপর হামলা হওয়ার পরে আমি তার বিপক্ষে দাঁড়াই এবং সর্বশেষ ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের চক্রকে হাতেনাতে ধরিয়ে দেই। ফলে স্বাভাবিকভাবে একটি কুচক্রী মহল আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।

এ বিষয়ে বিদেশি শিক্ষার্থীদের তত্ত্বাবধানের দায়িত্বরত ‘ইটিই’ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফাতিমা খাতুন বলেন, হুমায়ুন স্যারের সঙ্গে তার যোগাযোগের বিষয়টি আমি আগে থেকেই অবগত ছিলাম। এ ব্যাপারে আমি তাকে সতর্ক করেছিলাম তবে সে (সুমি শিং) বলেছিল হুমায়ূন স্যারের পরিবারের সঙ্গে তার ভালো সম্পর্ক রয়েছে।

রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. নূরউদ্দীন আহমেদ বলেন, মেয়েটি আমার নিকট অভিযোগ পত্র দিয়েছে এবং তা বিশ্ববিদ্যালয় যৌন নিপিড়ন সেলে পাঠিয়ে দিয়েছি।

বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর একটি চিঠিতে শিক্ষক হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ করেন ওই শিক্ষার্থী।

সুমি সিং বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমএইচ