Alexa বিপদসীমার উপরে চার নদীর পানি

ঢাকা, শনিবার   ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯,   আশ্বিন ৬ ১৪২৬,   ২১ মুহররম ১৪৪১

বিপদসীমার উপরে চার নদীর পানি

গাইবান্ধা প্রতিনিধি

ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত : ০৯:৩৩ পিএম, ৯ জুলাই ২০১৯ মঙ্গলবার

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

গত চারদিনের টানা বৃষ্টিতে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার যমুনা, ব্রহ্মপুত্র, কাটাখালি, আলাই‏ নদীসহ সব নদীতে পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পানি বৃদ্ধির ফলে ব্যাপক নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। এভাবে ভাঙন অব্যাহত থাকলে কিছুদিনের মধ্যে বসত বাড়িসহ সাঘাটার অনেক গ্রাম নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে বলে আশঙ্কা এলাকাবাসীর।

৪৪ বছরে যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র গিলে খেয়েছে প্রায় ৫০টি গ্রামের কয়েক হাজার একর আবাদি জমি। পানিতে ভেসে গেছে পূর্ব পুরুষদের কবরসহ অসংখ্য ঘরবাড়ি। এরমধ্যে ভাঙন কবলিত এলাকায় স্থানীয় লোকজন নদী ভাঙন রোধে যেসব উদ্যোগ নিয়েছিল তার মধ্যে কয়েকটি স্থানে বাঁশের খুঁটি দিয়ে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করে। তবে এতে কোনো কাজ হয়নি। সরকারিভাবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে সাঘাটার সামনে ব্লক ফেলে ভাঙন কিছুটা রোধ হয়েছে বলে এলাকাবাসী জানান। 

যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র নদীর ২১টি পয়েন্টের মধ্যে দুটি পয়েন্টকে স্মরণকালের স্পর্শকাতর। একটি হলো হলদিয়া সাবেক বাজার এলাকা ও অপরটি হলদিয়ার গোবিন্দপুর গ্রাম। বন্যার পানি ছড়িয়ে পড়ায় সদ্য রোপণ করা ধানের চারা ও শাক-সবজির ক্ষেত নষ্ট হয়েছে। ভাঙন কবলিত লোকজন এরইমধ্যে ওয়াপদা বাঁধসহ বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

গো-চারণ ভূমিগুলো পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় গো-খাদ্যের সংকট দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে বিপাকে পড়েছে খামারি মালিকরা।

হলদিয়ার এলাকার বাসিন্দা শাহ আলম বলেন, হামার বাড়িঘর যমুনা গিলে খাচে অনেক আগে।

ভরতখালী ইউপি চেয়ারম্যান ছামছুল আজাদ শীতল জানান, নদী ভাঙন কবলিত লোকজনদের স্থায়ী পুনর্বাসন করা দরকার। এলাকাবাসী ভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআর