গ্রিসে ‘হাসিনা: আ ডটারস টেল’ প্রদর্শিত
15-august

ঢাকা, মঙ্গলবার   ০৯ আগস্ট ২০২২,   ২৫ শ্রাবণ ১৪২৯,   ১০ মুহররম ১৪৪৪

Beximco LPG Gas
15-august

গ্রিসে ‘হাসিনা: আ ডটারস টেল’ প্রদর্শিত

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২০:৫৯ ৫ জুলাই ২০২২   আপডেট: ২১:০৭ ৫ জুলাই ২০২২

রোববার গ্রিসের রাজধানী এথেন্সের বহুভাষিক পাঠাগার ও সংস্কৃতি কেন্দ্র ‘উই নিড বুকস’-এ প্রদর্শিত হয় ‘হাসিনা: আ ডটারস টেল’- ছবি: সংগৃহীত

রোববার গ্রিসের রাজধানী এথেন্সের বহুভাষিক পাঠাগার ও সংস্কৃতি কেন্দ্র ‘উই নিড বুকস’-এ প্রদর্শিত হয় ‘হাসিনা: আ ডটারস টেল’- ছবি: সংগৃহীত

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ কন্যা ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তি জীবনের অজানা-অদেখা গল্প নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র ‘হাসিনা: আ ডটারস টেল’ গ্রিসে প্রদর্শিত হয়েছে।

রোববার গ্রিসের রাজধানী এথেন্সের বহুভাষিক পাঠাগার ও সংস্কৃতি কেন্দ্র ‘উই নিড বুকস’-এ প্রামাণ্যচিত্রটি প্রদর্শিত হয়। ‘উই নিড বুকস’-এর সহায়তায় গ্রিসে বাংলাদেশের দূতাবাস এ প্রদর্শনীর আয়োজন করে।

প্রবাসী বাংলাদেশি ছাড়াও, ছাত্র, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ ‘হাসিনা: আ ডটারস টেল’ দেখতে উপস্থিত হয়েছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে ‘উই নিড বুকস’র সহ-প্রতিষ্ঠাতা লোয়ানা নিশিরিও এবং গ্রিসে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আসুদ আহমেদ বক্তব্য রাখেন।

প্রাচীন ও পশ্চিমা সভ্যতার দোলনা হিসেবে পরিচিত গ্রিসে এটিই ‘হাসিনা: আ ডটারস টেল’ তথ্যচিত্রের প্রথম প্রদর্শনী।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার পরিবারের সদস্যদের সংগ্রাম এবং আধুনিক, গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ উন্নয়নশীল জাতি গঠনে তাদের ভূমিকা নিয়ে প্রামাণ্যচিত্রটি দর্শকদের মধ্যে উৎসাহ ও কৌতূহলের সৃষ্টি করেছে।

২০১৮ সালের নভেম্বরে ‘হাসিনা: আ ডটারস টেল’ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়। পরে বিভিন্ন টেলিভিশনেও সম্প্রচার করা হয়।

১৯৫২ সালে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঢাকায় আসা থেকে শুরু করে শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন ঘটনা উঠে এসেছে এ প্রামাণ্য তথ্যচিত্রে।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট দুই বোন শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে থাকা অবস্থায় পরিবারের সব সদস্যসহ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করা হয়। এরপর নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে ১৯৮১ সালে দেশে ফেরা, দিক হারানো আওয়ামী লীগের হাল ধরে দলকে আবার কক্ষপথে ফেরানো, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে প্রধানমন্ত্রিত্ব- সব বিষয়ই প্রামাণ্যচিত্রে তুলে এনেছেন নির্মাতা পিপলু খান। প্রামাণ্যচিত্রটির সংগীতায়োজন করেছেন দেবজ্যোতি মিশ্র, সিনেমাটোগ্রাফিতে সাদিক আহমেদ, সম্পাদনা করেছেন নবনীতা সেন।

শেখ হাসিনাকে নিয়ে নির্মিত এ প্রামাণ্যচিত্রে স্বাভাবিকভাবেই উঠে এসেছে বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে সম্পর্ক, তার সংস্পর্শে বেড়ে ওঠা, বাবার রাজনৈতিক আদর্শের প্রতি তার অবিচল আস্থা ও বিশ্বাসের বিষয়টি।

সিআরআই’র ব্যানারে নির্মিত প্রামাণ্যচিত্রটির প্রযোজক হিসেবে রয়েছেন বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র, সিআরআই’র ট্রাস্টি রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী, সিআরআই’র ট্রাস্টি নসরুল হামিদ।

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর

English HighlightsREAD MORE »