আবারো খুলেছে শাবির টং, মালামাল নষ্ট হওয়ায় ভোগান্তিতে মালিকরা

ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৮ জুন ২০২২,   ১৪ আষাঢ় ১৪২৯,   ২৮ জ্বিলকদ ১৪৪৩

Beximco LPG Gas

আবারো খুলেছে শাবির টং, মালামাল নষ্ট হওয়ায় ভোগান্তিতে মালিকরা

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৯:৪০ ২২ জুন ২০২২   আপডেট: ১৯:৪৬ ২২ জুন ২০২২

লাল টংয়ে বসে আড্ডা দিচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাসহ বাইরের লোকজন। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

লাল টংয়ে বসে আড্ডা দিচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাসহ বাইরের লোকজন। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

বন্যার পর আবারো আড্ডা-গল্পে জমে উঠেছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের টং দোকান। দোকান খুলতে পারায় কিছুটা স্বস্তিতে থাকলেও বন্যার পানিতে মালামাল নষ্ট হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন মালিকরা।

বুধবার (২২ জুন) দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, ক্যাম্পাসের লাল টং, সবুজ মামার টং ও ফুডকোর্টগুলো খোলা হয়েছে। ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীরাসহ বাইরে থেকে ক্যাম্পাসে আসা মানুষগুলো টংয়ে বসে চা, বিস্কুট ও বিভিন্ন ধরনের পাউরুটি খাচ্ছে। সঙ্গে চলছে মজার মজার আড্ডা। কেউ কেউ ক্যাম্পাসের বন্যা নিয়েও সমালোচনা করছেন।

এ দিকে বন্যার পানি নেমে যাওয়ায় টং মালিকরা দোকান খুলতে পারায় অনেকটা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছেন। তবে দোকানে থাকা অনেকগুলো মাল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন তারা।

লাল টংয়ের মামা অজয় আচার্য্য বলেন, এভাবে দোকানে পানি উঠবে ভাবতে পারিনি। আমার দোকানে থাকা অনেকগুলো মাল নষ্ট হয়ে গেছে। দোকান খোলার পর এগুলো ডাস্টবিনে ফেলে আসছি। এমনিতেই অনেক কষ্টে পরিবার চালাই। এর মধ্যে বন্যা আসায় আরো কষ্ট ভোগ করতে হচ্ছে। দোকান খোলার জন্য ঋণ করে টাকা আনতে হয়েছে।

ফুডকোর্ট-১ এর মালিক আব্দুস সোবহান বলেন, বন্যায় দোকানে পিছনের রুমে কোমর সমান পানি ছিলো। প্রায় ৭/৮ হাজার টাকার মাল নষ্ট হয়ে গেছে। বিভিন্ন মসলাজাতীয় জিনিস, লাকড়িসহ অনেক কিছু রেখে গিয়েছিলাম। দোকান খুলে এসব দেখে খুব কষ্ট লাগছে। দোকানে রাখা ফ্রিজেও পানি ওঠেছে। জানি না এটা নষ্ট হয়েছে কি না। দোকান বন্ধ থাকা এবং দোকানের এত টাকার মাল নষ্ট হওয়া সবমিলিয়ে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে আমাকে।

এ দিকে ক্যাম্পাস থেকে বন্যার পানি কমে যাওয়ায় আবার টং দোকান খুলায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী শিমুল মিয়া বলেন, টং দোকানে বসে বন্ধুবান্ধবরা মিলে অনেক মজা করি। বন্যায় ক্যাম্পাসে পানি উঠায় অনেক বন্ধুবান্ধব বাড়িতে চলে গেছে। এতদিন টং বন্ধ ছিল। তাই হলের ডাইনিং ক্যান্টিন ছাড়া অন্য কোথাও খাবারের ব্যবস্থা ছিলো না। এখন টং দোকান খুলেছে। এতে খুব ভালো লাগছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক শিক্ষার্থী শাকিব মিয়া বলেন, টং দোকান খুলেছে। এখন যে কোনো সময় বন্ধুবান্ধবদের সাথে টংয়ে বসে খাবার খেতে পারবো। এছাড়া পড়াশোনা সংক্রান্ত যেকোনো বিষয় নিয়ে একসঙ্গে বন্ধুবান্ধবরা আলোচনা করতে পারবো।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম

English HighlightsREAD MORE »