সমন্বিতভাবে দুর্যোগ-দুর্বিপাক মোকাবিলা করা উচিত: চসিক মেয়র

ঢাকা, রোববার   ২৬ জুন ২০২২,   ১২ আষাঢ় ১৪২৯,   ২৭ জ্বিলকদ ১৪৪৩

Beximco LPG Gas

সমন্বিতভাবে দুর্যোগ-দুর্বিপাক মোকাবিলা করা উচিত: চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২১:০৭ ২১ জুন ২০২২   আপডেট: ১৪:১১ ২২ জুন ২০২২

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী- ফাইল ছবি

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী- ফাইল ছবি

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেছেন, দুর্যোগ-দুর্বিপাক যে কারণেই হোক না কেন আমাদের উচিত সমন্বিতভাবে তা মোকাবিলা করা। এখানে কোনো প্রতিষ্ঠান কর্তৃক কাউকে দোষারোপ করার কোনো সুযোগ নেই।

মঙ্গলবার নগরীর পশ্চিম বাকলিয়া শান্তিনগর, চন্দনপুরা, কল্পলোক আবাসিক ও চাক্তাই তক্তার পোলের পানিবন্দি এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. নূরুল আলম, নাজমুল হক ডিউক, সংরক্ষিত কাউন্সিলর শাহীন আকতার রোজী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

মেয়র বলেন, চকবাজার, ফুলতলা, বাকলিয়া, খাজা রোড, পাঠানিয়া গোদা এলাকায় পানি না নামার মূল কারণ হচ্ছে মানবসৃষ্ট বর্জ্যে খালগুলো ভরাট হয়ে যাওয়া। এসব এলাকার খাল সিডিএ মেগা প্রকল্পের আওতাধীন হওয়া সত্ত্বেও জনদুর্ভোগ লাঘবে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন খালগুলো থেকে আবর্জনা ও মাটি উত্তোলন করে পানি চলাচলের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল। কিন্তু বর্ষার আগেই পরিষ্কার করা খালগুলো জনগণের অসচেতনতার কারণে আগের অবস্থায় ফিরে আসে। সে কারণে কয়েকদিনের ভারী বর্ষণে জলাবদ্ধতার ভোগান্তি প্রকট আকার ধারণ করে।

তিনি আরো বলেন, নাগরিক সেবা নিশ্চিত করাই সেবামূলক সংস্থাগুলোর মুখ্য কাজ। তবে নগরীতে যেসব সেবা সংস্থা আছে তাদেরও দায়িত্ব সম্পর্কে সচেষ্ট থাকতে হবে। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে গিয়ে খাল ও মাটি ভরাট করা হয়েছে। অনেকগুলো বাঁধ অপসারণ করা হলেও কিছু কিছু অংশে বাঁধ ও মাটির স্তূপ প্রকল্প বাস্তবায়নের স্বার্থে রাখতে হয়েছে।

যারা নগরীর নালা, খাল ও রাস্তাসহ যত্রতত্র আবর্জনা ফেলে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে তাদের প্রতি হুঁশিয়ারি দিয়ে মেয়র বলেন, সরকার দায়ী ব্যক্তিদের দুই বছরের জেল বা দুই লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রেখে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আইন প্রণয়ন করেছে। ভবিষ্যতে দায়ীদের বিরুদ্ধে এ আইন প্রয়োগ করতে আমরা বাধ্য হবো। ব্যবস্থা নেয়ার ক্ষেত্রে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

পানিবন্দি মানুষের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, নগরীতে যারা পানিবন্দি অবস্থায় আছেন তাদের জন্য এরই মধ্যে সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে আশ্রয়কেন্দ্র, রান্না করা ও শুকনো খাবার বিতরণ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এছাড়া নগরীর টাইগারপাসের অস্থায়ী কার্যালয়ে কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর/এইচএন

English HighlightsREAD MORE »