করোনাকালীন ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ব্যস্ত খামারিরা

ঢাকা, রোববার   ২৬ জুন ২০২২,   ১২ আষাঢ় ১৪২৯,   ২৭ জ্বিলকদ ১৪৪৩

Beximco LPG Gas

করোনাকালীন ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ব্যস্ত খামারিরা

চাঁদপুর প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৯:৩৪ ২১ জুন ২০২২   আপডেট: ১৯:৩৬ ২১ জুন ২০২২

চাঁদপুর সুইটি ডেইরি ফার্ম। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

চাঁদপুর সুইটি ডেইরি ফার্ম। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপন উপলক্ষে নিরাপদ গবাদি পশুর গোশত উৎপাদনে চাঁদপুরে কোরবানিযোগ্য গবাদিপশুর প্রাপ্যতা ও চাহিদা রয়েছে ৭০ হাজার। আর জেলার ৮ উপজেলায় গবাদিপশু  মজুদ আছে ২৭ হাজার ৯৬১ টি। জেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা এ তথ্য জানান। 

জানা যায়, জেলার ৮ উপজেলায় খামারি রয়েছে ২ হাজার ৬৩৪ জন। ২৭ হাজার ৯৬১ টি গবাদিপশুর মধ্যে ষাঁড় রয়েছে ১২ হাজার ৫৩ টি, বলদ ৫ হাজার ৭৭৩ টি, গাভি ৩ হাজার ৩৩৩ টি, মহিষ ২২ টি, ছাগল ৬ হাজার ১২৯ টি, ভেড়া ৫৩৫ টি, অন্যান্য ১১৬ টি।

সদর উপজেলায় খামারির সংখ্যা ৪১৩ জন, ষাড় ২ হাজার ৪৮১টি, বলদ ২২৭ টি, গাভি ৩৫৩টি, ছাগল ৫৬১টি রয়েছে। মতলব দক্ষিণ উপজেলায় খামারির সংখ্যা ১২৬ জন, ষাড় ৫৬৬টি, বলদ ২১২ টি, গাভি ১৬৬টি, ছাগল ৩৮৬ টি, ভেড়া ৬৪ টি, অন্যান্য ১১৬ টি রয়েছে। মতলব উত্তর উপজেলায় খামারির সংখ্যা ২৫৯ জন, ষাড় ৯৩৬টি, বলদ ৪৬৮ টি, গাভি ৩৬১টি, ছাগল ৩৬১ টি, ভেড়া ১৪৯ টি রয়েছে।

চাঁদপুর সুইটি ডেইরি ফার্ম

চাঁদপুর কচুয়া উপজেলায় খামারির সংখ্যা ৪১৬ জন, ষাড় ২ হাজার ৫২টি, বলদ ৬১২ টি, গাভি ৫০৪টি, ছাগল ১ হাজার ৩৭৫ টি, ভেড়া ৯৬ টি রয়েছে।

চাঁদপুর শাহরাস্তি উপজেলায় খামারির সংখ্যা ৩৭৯ জন, ষাড় ১ হাজার ১৪৪টি, বলদ ৮৪৭টি, গাভি ৬৯১টি, মহিষ ২২টি, ছাগল ৩৫৫ টি, ভেড়া ১৯৬ টি রয়েছে। চাঁদপুর হাজীগঞ্জ উপজেলায় খামারির সংখ্যা ৪০৪ জন, ষাড় ২ হাজার ৮৩টি, বলদ ৩ হাজার ৫ টি, গাভি ৭৩২টি, ছাগল ২ হাজার ৩৯৪ টি, ভেড়া ৩০ টি রয়েছে।

ফরিদগঞ্জ উপজেলায় খামারির সংখ্যা ৩৫৭ জন, ষাড় ১ হাজার ৮৮১টি, বলদ ১৫৫ টি, গাভি ২৪১টি, ছাগল ৩৫৩ টি রয়েছে। হাইমচর উপজেলায় খামারির সংখ্যা ২৮০ জন, ষাড় ৯১০টি, বলদ ২৮৭ টি, গাভি ২৮৫টি, ছাগল ৩৪৪ টি রয়েছে।

চাঁদপুর সুইটি ডেইরি ফার্মে প্রায় শতাধিক গবাদিপশু রয়েছে। এখানে কর্মরত শ্রমিক মো. ফারুক ও মো. সোহেল জানায়, গরুগুলোকে গম, ভুট্টা, খেসারি, ধান, খইল, রাব, লবণ, খের, কাঁচাঘাস খাওয়ানো হয়। 

চাঁদপুর সুইটি ডেইরি ফার্ম

চাঁদপুর সুইটি ডেইরি ফার্মের মালিক ইব্রাহিম খলিল জানান, করোনাকালিন সময়ে অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছি। ইনশাল্লাহ পরিবেশ পরিস্থিতি ভালো থাকলে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবো। তবে গরু মোটাতাজাকরণে কোনো ধরনের ওষুধ ব্যবহার করি না। 

চাঁদপুর জেলা প্রাণিসম্পদ দফতরের জেলা ট্রেনিং অফিসার ডা. জুলহাস আহমেদ বলেন, চাঁদপুর জেলায় ২ হাজার ৬৩৪ জন খামারি রয়েছেন। তাদের সবার ৫ টির অধিক গবাদিপশু রয়েছে।

যারা ১ থেকে ২টি গবাদিপশু পালন করেন এরকম প্রায় ৪২ হাজার গবাদিপশু রয়েছে। উপজেলা ভিত্তিক খামারিদের সবসময় সেবা দিয়ে থাকি। কোরবানির জন্য এ বছর গবাদিপশুর চাহিদা রয়েছে ৭০ হাজার। কোরবানির জন্য ৬৮ থেকে ৬৯ হাজার গবাদিপশু প্রস্তুত রয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে

English HighlightsREAD MORE »