বাংলাদেশ-ভারত অভিন্ন বৌদ্ধ দর্শন, ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারক

ঢাকা, মঙ্গলবার   ১৮ জানুয়ারি ২০২২,   ৫ মাঘ ১৪২৮,   ১৩ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

বাংলাদেশ-ভারত অভিন্ন বৌদ্ধ দর্শন, ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারক: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২১:০২ ৪ ডিসেম্বর ২০২১   আপডেট: ১৮:০৬ ৫ ডিসেম্বর ২০২১

ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহার মিলনায়তনে বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘ আয়োজিত ‘Buddhism and Buddhist Heritage of Bangladesh and India-2021’ শীর্ষক সেমিনারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান- পিআইডি

ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহার মিলনায়তনে বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘ আয়োজিত ‘Buddhism and Buddhist Heritage of Bangladesh and India-2021’ শীর্ষক সেমিনারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান- পিআইডি

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান বলেছেন, বাংলাদেশ ও ভারতের অসংখ্য জনপদ বৌদ্ধ ধর্ম, দর্শন, ইতিহাস ও ঐতিহ্যের গৌরবময় স্মৃতি বহন করছে। দুই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের এসব অভিন্ন ইতিহাস ও ঐতিহ্য আগামী প্রজন্মের সভ্যতার জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করবে।

প্রতিমন্ত্রী শনিবার ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহার মিলনায়তনে বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘ আয়োজিত ‘Buddhism and Buddhist Heritage of Bangladesh and India-2021’ শীর্ষক সেমিনারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, সেমিনারটি সৌহার্দ্যপূর্ণ বন্ধুত্বের একটি প্রশংসনীয় উদাহরণ। এ সেমিনারের মাধ্যমে বাংলাদেশ-ভারতের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় ও শক্তিশালী হবে। 

তিনি আরো বলেন, পাল বৌদ্ধ রাজারা ভারতীয় উপমহাদেশে প্রায় চারশত বছর শাসন করেছিলেন। তারা বাংলাদেশ-ভারতের বিভিন্ন স্থানে তাদের প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিশ্ব জগতকে আলোকিত করেছিলেন, যা আজও মানবজাতিকে প্রভাবিত করে চলছে। 

মো. ফরিদুল হক খান বলেন, কালের প্রবাহে বিভিন্ন বিবর্তনের মধ্য দিয়ে ঐতিহ্যবাহী বৌদ্ধ সভ্যতা কৃষ্টি ও সংস্কৃতি উপমহাদেশে মাটির নিচে চাপা পড়ে গেছে। আজ মাটি খুঁড়লেই এসব বৌদ্ধ ঐতিহ্য বেরিয়ে আসছে। এসব ঐতিহ্যের উপর গবেষণা কর্ম চালিয়ে যাওয়া গবেষক, পণ্ডিত ও জাতীয় শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্ব ও কর্তব্য।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৪৭ সালে ধর্মের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত দেশের অসারতা বুঝতে পেরেছিলেন। বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করে সংবিধানের অন্যতম মূলনীতি হিসেবে ধর্ম নিরপেক্ষতাকে সংযোজন করেছিলেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের সভাপতি বুদ্ধিপ্রিয় মহাথেরো। অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন সাবের হোসেন চৌধুরী এমপি।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ/এইচএন

English HighlightsREAD MORE »