শেখ রাসেলের জন্মদিবস ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত করার সিদ্ধান্ত অত্যন্ত সময়ো

ঢাকা, শনিবার   ০৪ ডিসেম্বর ২০২১,   অগ্রহায়ণ ২০ ১৪২৮,   ২৭ রবিউস সানি ১৪৪৩

শেখ রাসেলের জন্মদিবস ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত করার সিদ্ধান্ত অত্যন্ত সময়োপযোগী: রাবাব ফাতিমা

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:২২ ১৯ অক্টোবর ২০২১   আপডেট: ১৭:২৯ ১৯ অক্টোবর ২০২১

জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে শহিদ শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা - বাসস

জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে শহিদ শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা - বাসস

শহিদ শেখ রাসেলের জন্মদিবসকে ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত জাতীয় দিবস হিসেবে উদযাপনের সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা।

তিনি বলেছেন, এর মাধ্যমে দেশের শিশু-কিশোররা শেখ রাসেল সম্পর্কে আরো জানতে পারবে, যা তাদেরকে মানবতাবাদী ও অধিকারবোধ সম্পন্ন ভবিষ্যৎ নাগরিকে পরিণত করবে। এ সময় শহিদ শেখ রাসেলকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রচিত বই ‘আমাদের ছোট রাসেল সোনা’ পড়ার জন্য প্রবাসে বেড়ে ওঠা শিশু-কিশোরদের প্রতি আহ্বান জানান রাষ্ট্রদূত ফাতিমা।

স্থায়ী মিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ মঙ্গলবার এসব তথ্য জানানো হয়।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে জাতির পিতার নির্মম হত্যাকাণ্ডের কথা তুলে ধরে রাষ্ট্রদূত ফাতিমা বলেন, ঘাতকরা নিষ্পাপ ও কোমলমতি শিশু রাসেলকেও রেহাই দেয়নি। 

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৬তম অধিবেশনে প্রদত্ত ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৫ আগস্টের পালিয়ে থাকা খুনিদের বিচারের আওতায় আনতে বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি যে আহ্বান জানিয়েছেন তা তুলে ধরে স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, বিদেশে পালিয়ে থাকা খুনিদের দেশে ফিরিয়ে নিয়ে বিচারের আওতায় আনতে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে।

রাষ্ট্রদূতের স্বাগত বক্তব্যের পর মুক্ত আলোচনা পর্বে মিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন। তারা আশা প্রকাশ করেন শেখ রাসেল দিবস উদযাপনের মাধ্যমে শেখ রাসেলের স্মৃতি আজীবন সকলের মাঝে বেঁচে থাকবে, যা শিশু-কিশোরদের নতুনভাবে অনুপ্রাণিত করবে। এছাড়া কানাডার অটোয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস এবং মেক্সিকোয় বাংলাদেশ দূতাবাসেও যথাযোগ্য মর্যাদায় শেখ রাসেল দিবস উদযাপন করা হয়।

উল্লেখ্য, জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কনিষ্ঠ পুত্র শহিদ শেখ রাসেলের জন্মদিন স্মরণে ‘শেখ রাসেল দিবস-২০২১’ উদযাপন করা হয়েছে। কোভিড-১৯ এর প্রেক্ষাপটে স্থানীয় নির্দেশনা অনুযায়ী সামাজিক দূরত্ব মেনে স্থায়ী মিশনের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে গতকাল সোমবার আয়োজিত অনুষ্ঠানে মিশনের সকল স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।

স্থায়ী মিশনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অনুষ্ঠানের শুরুতেই শহিদ শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। পরে শেখ রাসেলের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়। এরপর শেখ রাসেলের জীবন বিষয়ক একটি প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়।

ডেইলি বাংলাদেশ/টিআরএইচ/এইচএন