বিভিন্ন সংস্থাকে মশক নিধন অভিযান পরিচালনার নির্দেশ এলজিআরডিমন্ত্রীর

ঢাকা, সোমবার   ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১,   আশ্বিন ১৩ ১৪২৮,   ১৮ সফর ১৪৪৩

বিভিন্ন সংস্থাকে মশক নিধন অভিযান পরিচালনার নির্দেশ এলজিআরডিমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২০:৩৭ ৫ আগস্ট ২০২১   আপডেট: ২৩:৩০ ৬ আগস্ট ২০২১

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম - ফাইল ছবি

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম - ফাইল ছবি

নির্মিত ও নির্মাণাধীন সরকারি-বেসরকারি এবং আবাসিক ভবনে নিজ নিজ উদ্যোগে মশক নিধন অভিযান পরিচালনা করতে রাজউক ও স্থাপত্য অধিদফতরসহ অন্যান্য দফতর ও সংস্থার প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার রাজউকের আওতাধীন সরকারি, ডেভেলপার, ব্যক্তি পর্যায়ে নির্মিত ও নির্মাণাধীন ভবনে এডিস মশার বংশ বিস্তার এবং ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব রোধে নির্মিত এবং নির্মাণাধীন ভবনে নিয়মিত তদারকি সংক্রান্ত এক সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশ দেন।

তাজুল ইসলাম বলেন, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে চলমান মশক নিধন কার্যক্রমের সঙ্গে রাজউকসহ সব দফতর ও সংস্থাকে সহযোগিতার মাধ্যমে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে।

এডিস মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করতে রাজউকের উপযুক্ত কর্মকর্তাদের মাধ্যমে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করার নির্দেশনা প্রদান করে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত সচিব ও রাজউকের চেয়ারম্যানকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার নির্দেশ দেন মন্ত্রী। এছাড়াও মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সব প্রতিষ্ঠানকে আলাদা আলাদা নির্দেশনা প্রদানসহ সব ধরনের ভবন পরিদর্শন এবং রিপোর্ট অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতেও নির্দেশ দেন তিনি।

এডিস মশা নিধনে যেসব ওষুধ ব্যবহার করা হচ্ছে সেগুলোর গুণগতমান পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেই ছিটানো হচ্ছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ওষুধের কোনো ঘাটতি নেই। পর্যাপ্ত ওষুধ মজুদ রয়েছে। শুধু অভিযান পরিচালনা করেই মশার প্রাদুর্ভাব বন্ধ করা যাবে না। এজন্য দরকার মানুষের সচেতনতা।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত সচিব শহীদ উল্লাহ খন্দকার, রাজউক চেয়ারম্যান এ বি এম আমিন উল্লাহ নূরী, ড্যাপের প্রকল্প পরিচালক আশরাফুল ইসলাম এবং রিহ্যাব ও বিএলডিএ’র প্রতিনিধিরা।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ/টিআরএইচ/আরএম