২৬ দিন পর লাশ পেলেন স্বজনরা

ঢাকা, শুক্রবার   ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১,   আশ্বিন ৯ ১৪২৮,   ১৫ সফর ১৪৪৩

সেজান জুস কারখানায় আগুন

২৬ দিন পর লাশ পেলেন স্বজনরা

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:২৬ ৪ আগস্ট ২০২১   আপডেট: ১৫:৫১ ৪ আগস্ট ২০২১

গত ৮ জুলাই রূপগঞ্জের হাশেম ফুডস লিমিটেডের সেজান জুস কারখানায় আগুন লাগার পর উদ্ধারকর্মীরা উদ্ধারকৃত লাশ বহন করছেন। ছবি: রয়টার্স

গত ৮ জুলাই রূপগঞ্জের হাশেম ফুডস লিমিটেডের সেজান জুস কারখানায় আগুন লাগার পর উদ্ধারকর্মীরা উদ্ধারকৃত লাশ বহন করছেন। ছবি: রয়টার্স

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলায় সজিব গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান হাসেম ফুড অ্যান্ড বেভারেজের সেজান জুস কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত শ্রমিকদের মধ্যে মর্গে থাকা ২৪ লাশ পরিবারের  কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বুধবার বেলা পৌনে দুইটার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) মর্গ থেকে লাশগুলো হস্তান্তর করা হয়।

স্বজনদের সঙ্গে ডিএনএ পরীক্ষার পর মরদেহগুলোর পরিচয় শনাক্ত করা হয়। গতকাল মঙ্গলবার রাতে জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আগুনে পোড়া মরদেহগুলো ঢামেক হাসপাতালের হিমাগারে রাখা হয়। তবে সবগুলো মরদেহ প্রায় আগুনে পুড়ে যাওয়ায় কারো চেহারা বোঝা যায়নি। পরে পরিচয় শনাক্তে নিহতদের পরিবারের লোকজনদের কাছ থেকে ডিএনএর নমুনা সংগ্রহ করা হয়।

নারায়ণগঞ্জ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) বিশেষ পুলিশ সুপার মো. দেলোয়ার হোসেন জানান, ডিএনএ পরীক্ষা করে ৪৫ জনের পরিচয় শনাক্ত করা গেছে। প্রথম দিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে থাকা ২৪ জনের মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। পরের দুইদিনে ধারাবাহিকভাবে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে থাকা মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। এখনো চারজনের পরিচয় শনাক্ত হয়নি বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোস্তাইন বিল্লাহ জানান, মরদেহ দাফন ও সৎকারের জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রত্যেক পরিবারকে নগদ ৫০ হাজার টাকা প্রদান হবে।

গত ৮ জুলাই বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে রূপগঞ্জ উপজেলার কর্ণগোপ এলাকায় অবস্থিত ওই কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ভয়াবহ ওই অগ্নিকাণ্ডে ৫২ জনের মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় রূপগঞ্জ থানায় গত ১০ জুলাই একটি হত্যা মামলা করেন ভুলতা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক নাজিম উদ্দিন। পরে তদন্তের দায়িত্ব পায় সিআইডি।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএইচ