আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়াকড়ি, যানবাহন-মানুষের চাপ নেই

ঢাকা, সোমবার   ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১,   আশ্বিন ৫ ১৪২৮,   ১১ সফর ১৪৪৩

কঠোর লকডাউনের তৃতীয় দিন

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়াকড়ি, যানবাহন-মানুষের চাপ নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১০:৩১ ২৫ জুলাই ২০২১   আপডেট: ১০:৩৩ ২৫ জুলাই ২০২১

কঠোর লকডাউনে রাজধানীর একটি সড়ক। ছবি: সংগৃহীত

কঠোর লকডাউনে রাজধানীর একটি সড়ক। ছবি: সংগৃহীত

মহামারি করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ঈদের পর আরোপিত ‘সবচেয়ে কঠোর লকডাউনের’ আজ তৃতীয় দিন। রোববার সকাল থেকেই সড়কে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়াকড়ি লক্ষ্য করা গেছে। রাজধানীর প্রায় সড়কেই খুব একটা যানবাহন ও মানুষের চাপ চোখে পড়েনি। 

সরেজমিনে রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক ঘুরে দেখা যায়, সড়কে যানবাহন একেবারে নেই বললেই চলে। তবে প্রাইভেটকার, রিকশা, মোটরসাইকেল, অ্যাম্বুলেন্সসহ দেখা গেছে ছোট ছোট কিছু যানবাহন। এছাড়া অনেককেই হেঁটে বিভিন্ন দূরত্বে যেতে দেখা গেছে। 

পাশাপাশি চেকপোস্টগুলোতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের মুখোমুখি পায়ে হেঁটে বের হওয়াদের তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কিছুক্ষণ পরপরই র‌্যাব-পুলিশের পাশাপাশি সেনাবহিনী ও বিজিবি’র মোবাইল টহল লক্ষ্য করা গেছে।

গত ১৩ জুলাই বিধিনিষেধ আরোপ করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। ওই আদেশে ১৪ জুলাই মধ্যরাত থেকে ২৩ জুলাই সকাল ৬টা পর্যন্ত বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়েছিল ঈদের কারণে। ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে নতুন করে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল ওই ঘোষণায়।

কঠোর এ লকডাউনের সময় খুব জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে বের হলে তাকে শাস্তির আওতায় আনার কথা বলেছে প্রশাসন। বিধিনিষেধ চলাকালে জনগণকে সতর্ক থাকা, মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি মানারও নির্দেশ দেওয়া হয়। 

সে সময় জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, অফিস-আদালত, গার্মেন্টস-কলকারখানা ও রফতানিমুখী সব কিছুই বন্ধ থাকবে। এটা এ যাবতকালের সর্বাত্মক কঠোর বিধিনিষেধ হতে যাচ্ছে। এ সময় মানুষের বাইরে আসার প্রয়োজনই হবে না। কারণ অফিসে যাওয়ার বিষয় নেই। যারা গ্রামে গেছেন, তারা জানেন যে অফিস বন্ধ। তাদের ৫ তারিখের পরে আসতে হবে।

এদিকে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, বিধিনিষেধের মধ্যে ফেরিতে যাত্রীবাহী সব ধরনের যান পরিবহন বন্ধ থাকবে। কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুধু জরুরি পণ্যবাহী যান ও অ্যাম্বুলেন্স পারাপার করা হবে।

তবে কঠোর বিধিনিষেধের আওতার বাইরে থাকবে কোরবানির পশুর চামড়া সংশ্লিষ্ট খাত, খাদ্যপণ্য এবং কোভিড-১৯ প্রতিরোধে পণ্য ও ওষুধ উৎপাদনকারী শিল্প প্রতিষ্ঠান।

এর পাশাপাশি আজ থেকে সীমিত পরিসরে চালু হয়েছে ব্যাংকিং কার্যক্রম। একই সঙ্গে খোলা থাকবে বীমা কোম্পানির কার্যালয় ও শেয়ারবাজার। 

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডআর