বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর যেতে লাগবে ২৪ মিনিট

ঢাকা, বুধবার   ২৮ জুলাই ২০২১,   শ্রাবণ ১৩ ১৪২৮,   ১৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৪২

বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর যেতে লাগবে ২৪ মিনিট

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:৫২ ১৭ জুন ২০২১   আপডেট: ১৫:৫৪ ১৭ জুন ২০২১

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

দেশে প্রথমবারের মতো নির্মাণ হতে যাচ্ছে পাতাল রেলপথ। রাজধানীর বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত হচ্ছে এটি। পাতাল রেলপথের কাজ শেষ হলেই বিমানবন্দর থেকে কমলাপুরে যেতে লাগবে মাত্র ২৪ মিনিট ৩০ সেকেন্ড।

সূত্রের তথ্যানুযায়ী, দেশের প্রথম পাতাল রেলপথের প্রকল্পের নাম ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট লাইন-১ বা এমআরটি লাইন-১। ১৯ দশমিক ৮৭ কিলোমিটার রেলপথে থাকবে ১২টি স্টেশন। এর একটি অংশ যাচ্ছে নতুন বাজার থেকে পূর্বাচলে। ১১ দশমিক ৩৬ কিলোমিটার এ অংশটি হবে উড়াল। এখানে সাতটি স্টেশন থাকবে। মেট্রোরেলে নতুন বাজার থেকে পূর্বাচল যেতে সময় লাগবে ২০ মিনিট ৩৫ সেকেন্ড। এছাড়া কমলাপুর থেকে পূর্বাচল যেতে লাগবে ৪০ মিনিট।

আড়াই মিনিট পরপর ট্রেন পাবেন বিমানবন্দর-কমলাপুর রুটের যাত্রীরা। নতুন বাজার-পূর্বাচল রুটে ট্রেন পাওয়া যাবে চার মিনিট ৩৫ সেকেন্ড পরপর। বিমানবন্দর-কমলাপুর রুটে ঘণ্টায় ৯০ কিলোমিটার এবং নতুন বাজার-পূর্বাচল রুটে ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার বেগে চলবে মেট্রোরেল।

প্রতিটি ট্রেনে থাকবে আটটি কোচ। একসঙ্গে তিন হাজার আটজন যাত্রী চড়তে পারবেন ট্রেনে। প্রতিদিন প্রায় আট লাখ যাত্রী যাতায়াত করতে পারবেন। ৫২ হাজার ৫৬১ কোটি টাকার এ প্রকল্পটি ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএএন ছিদ্দিক বলেন, সবার আগে বানানো হবে ডিপো। এরপর পর্যায়ক্রমে পাতাল রেলপথ, স্টেশনসহ আনুষঙ্গিক অবকাঠামোর কাজ শুরু হবে। পাতাল রেলে যাত্রী পরিবহন শুরু হবে ২০২৬ সালে।

তিনি বলেন, ১২টি প্যাকেজের মাধ্যমে এমআরটি-১ প্রকল্পের মাধ্যমে ঢাকায় প্রথম পাতাল রেলপথের নির্মাণ কাজ করা হবে। প্রথম প্যাকেজে ডিপোর ভূমি উন্নয়ন ও আনুষঙ্গিক অবকাঠামো নির্মাণের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। এর ৬ মাসের মধ্যে রূপগঞ্জের পিতলগঞ্জে ডিপোর কাজ শুরু করা সম্ভব হবে বলে আমরা আশা করছি।

তিনি আরো বলেন, এই লাইনটির দুটি অংশ। প্রথম অংশটি পুরোপুরি পাতালপথে। ঢাকার বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন থেকে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত পাতাল অংশের দৈর্ঘ্য ১৯ দশমিক ৮৭ কিলোমিটার। অন্যদিকে, কমলাপুর থেকে পূর্বাচল পর্যন্ত নির্মাণ করা হবে উড়ালপথ, যার দৈর্ঘ্য ১১ দশমিক ৩৬ কিলোমিটার।

ঢাকায় পাতাল রেলের জন্য ২৫টি ট্রেন কেনার কথা জানিয়ে এমএএন ছিদ্দিক বলেন, প্রতিটি ট্রেন ৮টি করে কোচ থাকবে। একেকটি ট্রেনে এক সঙ্গে ৩ হাজার ৮৮ জন যাত্রী পরিবহন করা যাবে। আর পুরো লাইনটি দিয়ে প্রতিদিন ৮ লাখ যাত্রী পরিবহন করা সম্ভব হবে। রেললাইনটি নির্মাণে খরচ হচ্ছে ৫২ হাজার ৫৬১ কোটি টাকা।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ