‘জলাবদ্ধতা নিরসনে হাতিরঝিলের বন্ধ সব স্লুইসগেট খোলা রাখার সিদ্ধান্ত’

ঢাকা, রোববার   ২০ জুন ২০২১,   আষাঢ় ৬ ১৪২৮,   ০৮ জ্বিলকদ ১৪৪২

‘জলাবদ্ধতা নিরসনে হাতিরঝিলের বন্ধ সব স্লুইসগেট খোলা রাখার সিদ্ধান্ত’

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২১:৩৪ ১৮ মে ২০২১   আপডেট: ১২:৫২ ১৯ মে ২০২১

স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। ফাইল ছবি

স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। ফাইল ছবি

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, রাজধানীতে ভারী বর্ষণের ফলে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা নিরসনে হাতিরঝিলের সব বন্ধ স্লুইসগেট খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, নগরীর অনেক বাসা-বাড়ির মালিক তাদের নিজেদের সেপটিক ট্যাংক না রেখে সুয়ারেজের লাইন সরাসরি খালে দিয়ে দেন। বাসার মালিকরা যদি নিজেদের সেপটিক ট্যাংক না তৈরি করেন, তাহলে আগামীতে এসব লাইন বন্ধ করে দেয়া হবে।

মঙ্গলবার জলাবদ্ধতা নিরসনে ঢাকা মহানগরীর খাল এবং প্রাকৃতিক জলাশয় সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ঢাকা শহরের জলাবদ্ধতা নিরসন করতে হলে রাজধানীর সব খাল দখলমুক্ত, সংস্কার ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে পানি প্রবাহ ঠিক রাখার কোনো বিকল্প নেই। এছাড়া মশার প্রজনন ঠেকাতেও খালগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা অত্যন্ত জরুরি।

তিনি বলেন, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, রাজউক এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে থাকা খাল ও জলাশয়গুলো দুই সিটি কর্পোরেশনের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, এরই মধ্যে ঢাকা ওয়াসার কাছ থেকে ২৬টি খাল দুই সিটি কর্পোরেশনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই দুই মেয়র ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনায়, খাল সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন।

এর বাইরেও রাজধানীতে ১৭টি খাল রয়েছে উল্লেখ করে মো. তাজুল ইসলাম বলেন, এ খাল ও জলাশয়গুলো ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের কাছে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

সভায় গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফ আহমেদ, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম, স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব প্রমুখ যুক্ত ছিলেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডআর/এইচএন