২৯২ কোটি টাকা প্রণোদনা পাচ্ছেন দুই লাখ খামারি

ঢাকা, রোববার   ২০ জুন ২০২১,   আষাঢ় ৮ ১৪২৮,   ০৮ জ্বিলকদ ১৪৪২

২৯২ কোটি টাকা প্রণোদনা পাচ্ছেন দুই লাখ খামারি

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:০৮ ৯ মে ২০২১   আপডেট: ১৬:২৫ ৯ মে ২০২১

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, এরই মধ্যে মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রকল্প থেকে প্রায় ৪ লাখ ক্ষতিগ্রস্ত খামারিকে প্রায় ৫৫৪ কোটি টাকা নগদ আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়েছে। আরো প্রায় ২ লাখ খামারিকে প্রায় ২৯২ কোটি টাকা আর্থিক প্রণোদনা দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

রোববার করোনা সংকটে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় গৃহীত কার্যক্রম ও সমসাময়িক বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় এসব কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, সরকার ঘোষিত চলমান বিধিনিষেধের মধ্যেও মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দফতর-সংস্থার কার্যক্রম বিশেষ করে সম্প্রসারণ, কৃত্রিম প্রজনন, টিকাদান, চিকিৎসা, পরামর্শ সেবা প্রদান এবং সরকারি খামারে রেণু পোনা উৎপাদন ও সরবরাহ, হাঁস-মুরগি ও গবাদি পশুর বাচ্চা উৎপাদন ও বণ্টন অব্যাহত রাখা হয়েছে। জরুরি সেবা নিশ্চিত করতে কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে। মন্ত্রণালয় থেকে সব কার্যক্রম মনিটর করা হচ্ছে এবং উদ্ভূত সমস্যা সমাধান করা হচ্ছে।

মন্ত্রী আরো বলেন, প্রাণিজ পণ্য আমদানি-রফতানি সচল রাখার জন্য এ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সব ল্যাব চালু রাখাসহ সব প্রকার পরীক্ষা ও পরিদর্শন কার্যক্রম চালু রাখা হয়েছে। বাজারদর স্থিতিশীল রাখা এবং সাপ্লাই চেইন ঠিক রাখার জন্য বিশেষ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করে খামারিদের সরাসরি বাজার ব্যবস্থার সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় প্রসঙ্গে তিনি জানান, ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্রের মাধ্যমে গত ৫ এপ্রিল থেকে ৮ মে পর্যন্ত প্রায় ২২৩ কোটি ৮৮ লাখ টাকার মাছ, ডিম, দুধ এবং মাংসসহ দুগ্ধজাত পণ্য বিক্রি হয়েছে। গত একমাসে সারাদেশে প্রায় ১৮ হাজার ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্র পরিচালনা করা হয়েছে। প্রতি জেলায় প্রতিদিন গড়ে ১০টি করে ভ্রাম্যমাণ গাড়ি ভাড়া করে এ কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হয়েছে।

ঢাকা শহরে ৩০ স্পটে গরুর মাংস প্রতি কেজি ৫০০ টাকা, খাসির মাংস প্রতি কেজি ৭০০ টাকা, সোনালি মুরগি প্রতি কেজি ২১০ টাকা, ব্রয়লার প্রতি কেজি ১২০ টাকা, ডিম প্রতিটি ৬ টাকা এবং প্যাকেট দুধ প্রতি লিটার ৬০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএইচ/এইচএন