বাংলাদেশ অভ্যুদয়ের ভিত্তি ছিল বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

ঢাকা, মঙ্গলবার   ১৮ মে ২০২১,   জ্যৈষ্ঠ ৪ ১৪২৮,   ০৫ শাওয়াল ১৪৪২

বাংলাদেশ অভ্যুদয়ের ভিত্তি ছিল বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২০:৩৫ ১০ এপ্রিল ২০২১   আপডেট: ১৯:০৫ ১১ এপ্রিল ২০২১

ওয়েবিনারে বক্তব্য রাখছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ওয়েবিনারে বক্তব্য রাখছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ভিত্তি ছিল বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা। এ ঘোষণা এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র আমাদের সংবিধানের অবিচ্ছেদ্য অংশ। 

শনিবার ‘স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের বিরোধিতা রাষ্ট্রদ্রোহিতাতুল্য অপরাধ’ শীর্ষক ওয়েবিনারে নিজ সরকারি বাসভবন থেকে সংযুক্ত হয়ে তিনি একথা বলেন। 

মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। সে ঘোষণাটি ১০ এপ্রিল গঠিত স্বাধীন বাংলা সরকার তথা মুজিব নগর সরকার অনুমোদন দেয় এবং এ আলোকে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র প্রণয়ন করা হয়। স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও ন্যায় বিচারের কথা উল্লেখ করা ছিল। স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে প্রণয়নও অনুমোদনের পূর্ব পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা ও ঘোষণাপত্রই ছিল অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান। তার ভিত্তিতেই পরিচালিত হয়েছিল স্বাধীন বাংলা সরকার।

স্বাধীন বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুকে রক্ষার ব্যর্থতাই সাম্প্রদায়িক অপশক্তির উত্থান ঘটিয়েছে বলে এ সময় মন্তব্য করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকারের বাইরে ২৬ বছর ক্ষমতায় থাকা সরকারগুলো সুপরিকল্পিতভাবে বঙ্গবন্ধুর কীর্তিকে ছোট করে জিয়াকে বড় বানানোর চেষ্টা করে। স্বাধীনতা পরবর্তীতে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি নানা মত ও দলে বিভক্ত হলেও স্বাধীনতাবিরোধীরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। 

শ ম রেজাউল করিম বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি যেভাবে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলন ও স্বাধীনতা যুদ্ধ করেছিল, স্বাধীনতা পরবর্তীতে তাদের কেউ কেউ বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে সম্মিলিতভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা ও পুনর্গঠনে ভূমিকা না রেখে বরং যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করেছিল। সেই সুযোগে স্বাধীনতাবিরোধী দেশি-বিদেশি চক্র বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশকে হত্যা করেছিল। এজন্য সাম্প্রতিক সময়ে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির উত্থান নতুন করে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে একাত্তর সালের মতো ঐক্যবদ্ধ হওয়ার তাগিদ দিচ্ছে।

ওয়েবিনারে সঞ্চালনা করেন একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি সাংবাদিক শাহরিয়ার কবির। এতে অংশগ্রহণ করেন বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের রচয়িতা ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সহ-সভাপতি অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন, এমপি অ্যারোমা দত্ত, বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী প্রমুখ।

ডেইলি বাংলাদেশ/জাআ/জেডআর/টিআরএইচ