শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অনুদানের বিষয়ে যা বলল শিক্ষা মন্ত্রণালয়

ঢাকা, রোববার   ১১ এপ্রিল ২০২১,   চৈত্র ২৯ ১৪২৭,   ২৭ শা'বান ১৪৪২

শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অনুদানের বিষয়ে যা বলল শিক্ষা মন্ত্রণালয়

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:১৪ ৮ মার্চ ২০২১  

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

বৈশ্বিক মহামারি করোনাকালে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্চমচারীদের অনুদান পেতে তথ্য দেয়ার সময় বাড়ানো হতে পারে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে এ বিষয়ে গুজবে কান না দিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। 

মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের এ কথা জানান।

তিনি বলেন, ৭ মার্চ তথ্য জমা দেয়ার শেষ দিন ছিল। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক-কর্মচারী ও ছাত্র-ছাত্রীদের অনুদান দেয়ার সংশোধিত নীতিমালা (২০২০ সালের) অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক-কর্মচারী, ছাত্র-ছাত্রীদের অনলাইনে (www.shed.gov.bd) আবেদন আহ্বান করা হয়েছে। তবে কর্তৃপক্ষ আবেদনের সময় বাড়ানোর বিষয়ে চিন্তা-ভাবনা করছে। আবেদন যাচাই-বাছাই করে সীমিত সংখ্যক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে অনুদান দেয়া হবে। এ বিষয়ে কোনো ধরনের গুজবে কান না দেয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের অনুদান পাওয়ার জন্য অনলাইনে আবেদনের সময় প্রথম তথ্য গত ১৮ জানুয়ারি জানানো হয়েছিল।

ওইদিন মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করার বিস্তারিত নির্দশনাও দেয়া হয়েছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করতে হবে, অনথ্যায় সময় বাড়ানো হবে না বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরকারের কাছে সব তথ্য না পৌঁছালে ২৮ ফেব্রুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ আবেদনের সময়সীমা ৭ মার্চ পর্যন্ত বাড়িয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। কিন্তু অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শনিবার পর্যন্ত আবেদন করতে পারেনি।

এদিকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সতর্ক করে বিজ্ঞপ্তি জারি করে ৪ মার্চ। এতে বলা হয়, মন্ত্রণালয়ের পরিচয়ে অসৎ উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ব্যক্তির মাধ্যমে অনুদান পাওয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের ভিন্ন ভিন্ন মোবাইলে এনআইডি, বিকাশ নম্বর, গোপন পিন নম্বর ইত্যাদি চাওয়া হচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হয়।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ