পিলখানা হত্যাকাণ্ড: শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় শহিদদের স্মরণ

ঢাকা, সোমবার   ১২ এপ্রিল ২০২১,   চৈত্র ২৯ ১৪২৭,   ২৮ শা'বান ১৪৪২

পিলখানা হত্যাকাণ্ড: শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় শহিদদের স্মরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:৫৩ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১   আপডেট: ১৮:১৭ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সেনাবাহিনী প্রধান, ভারপ্রাপ্ত নৌবাহিনী প্রধান, বিমান বাহিনী প্রধানসহ ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাগণ বৃহস্পতিবার ঢাকার বনানীস্থ সামরিক কবরস্থানে পিলখানায় হত্যাকাণ্ডের শিকার সেনা সদস্যদের ১২তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে শহিদদের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করেন- আইএসপিআর

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সেনাবাহিনী প্রধান, ভারপ্রাপ্ত নৌবাহিনী প্রধান, বিমান বাহিনী প্রধানসহ ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাগণ বৃহস্পতিবার ঢাকার বনানীস্থ সামরিক কবরস্থানে পিলখানায় হত্যাকাণ্ডের শিকার সেনা সদস্যদের ১২তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে শহিদদের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করেন- আইএসপিআর

পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর সদর দফতরে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার শহিদদের স্মরণ করা হয়েছে শ্রদ্ধা-ভালোবাসায়।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর বনানীর সামরিক কবরস্থানে শহিদদের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান পরিবারের স্বজনরা।

পিলখানার হত্যাকাণ্ডের ১২ বছর পূর্তিতে আজ অন্যান্য রাজনৈতিক দলও শহিদদের স্মরণ করেছে।

আইএসপিআরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যথাযথ মর্যাদায় গত ২০০৯ সালের ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন বিডিআর (বর্তমান বিজিবি) সদর দফতরে পিলখানায় সংগঠিত বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শহিদ সদস্যদের ১২তম শাহাদত বার্ষিকী পলিত হয়েছে।

এতে আরো বলা হয়েছে, এ উপলক্ষে বনানীস্থ সামরিক কবরস্থানে শহিদদের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শাহাদত বরণকারীদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতির পক্ষে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহ উদ্দিন ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল নকিব আহমেদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, ভারপ্রাপ্ত নৌবাহিনী প্রধান রিয়ার এডমিরাল এম আবু আশরাফ, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলাম।

পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে শহিদদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্যে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। সেসময় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা শহিদ সেনাসদস্যদের সম্মানে স্যালুট প্রদান করেন। পরে শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।

এছাড়াও এদিন সকল সেনানিবাসের কেন্দ্রীয় মসজিদে শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে সকল স্তরের সেনাসদস্যদের উপস্থিতিতে মিলাদ মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন করা হয়।

পিলখানায় শহিদ সেনা কর্মকর্তাদের স্বজনরাও বনানীর সামরিক কবরস্থানে এসেছিলেন।

শহিদদের বিদেহী আত্মার শান্তির জন্য বিজিবির কেন্দ্রীয় মসজিদ, ঢাকা সেক্টর মসজিদ এবং পিলখানার বর্ডার গার্ড হাসপাতাল মসজিদে শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বিজিবির কেন্দ্রীয় মসজিদে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

এছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব, বিজিবি মহাপরিচালক, শহিদদের আত্মীয়স্বজন, পিলখানায় কর্মরত সকল কর্মকর্তা দোয়া ও মিলাদে যোগ দেবেন।

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সকালে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিডিআরের দরবার হল থেকে বিদ্রোহের সূচনা হয়। নানা ঘটনাপ্রবাহের মধ্য দিয়ে পরদিন ঘটে এর অবসান। ওই ঘটনায় শহিদ হন ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন।

রক্তাক্ত সেই বিদ্রোহের পর সীমান্তরক্ষা বাহিনী বিডিআরকে পুনর্গঠিত করে নতুন নাম দেয়া হয় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বা বিজিবি।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ/এইচএন