ভারতের পদ্মশ্রী পেলেন দুই বাংলাদেশি

ঢাকা, রোববার   ০৭ মার্চ ২০২১,   ফাল্গুন ২২ ১৪২৭,   ২২ রজব ১৪৪২

ভারতের পদ্মশ্রী পেলেন দুই বাংলাদেশি

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২০:৫৫ ২৫ জানুয়ারি ২০২১   আপডেট: ১৩:০৩ ২৬ জানুয়ারি ২০২১

সনজীদা খাতুন ও কাজী সাজ্জাদ আলী জহির। ছবি: সংগৃহীত

সনজীদা খাতুন ও কাজী সাজ্জাদ আলী জহির। ছবি: সংগৃহীত

ভারতের চতুর্থ বেসামরিক সর্বোচ্চ পদক পদ্মশ্রী সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন বাংলাদেশের দুই গুণী ব্যক্তিত্ব। তারা হলেন- দেশের সংস্কৃতি অঙ্গনের পুরোধা ব্যক্তিত্ব সনজীদা খাতুন ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক বীর মুক্তিযোদ্ধা লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) কাজী সাজ্জাদ আলী জহির, বীর প্রতীক।

শনিবার ভারতীয় মিশন থেকে এ বার্তা পাঠানো হয়েছে। বার্তায় ভারত সরকার কর্তৃক পদ্মশ্রী ২০২১ খেতাবে ভূষিত হওয়ায় সনজীদা খাতুন এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) কাজী সাজ্জাদ আলী জহিরকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, ভারত সরকার শিল্পকলা, শিক্ষা, বাণিজ্য, সাহিত্য, বিজ্ঞান, খেলাধুলা, সমাজসেবা ও সরকারি ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য এই সম্মান প্রদান করে থাকে।

সনজীদা খাতুন একাধারে রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী, লেখক, গবেষক, সংগঠক, সংগীতজ্ঞ এবং শিক্ষক। তিনি বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ছায়ানটের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং বর্তমানে সভাপতি। এছাড়া তিনি জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদেরও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। প্রচলিত ধারার বাইরে ভিন্নধর্মী একটি শিশু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নালন্দা’র সভাপতি। সনজীদা খাতুন ১৯৫৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে সম্মানসহ স্নাতক এবং ১৯৫৫ সালে ভারতের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। পরে ১৯৭৮ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) কাজী সাজ্জাদ আলী জহির বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ৪ নম্বর সেক্টরের অধীনে গোলন্দাজ বাহিনীকে সংগঠিত করেন। যুদ্ধে তার সাহসিকতার জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর প্রতীক খেতাব দেয়। তার জন্ম ১৯৫১ সালের ১১ এপ্রিল কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার চৌসই গ্রামে। সাজ্জাদ আলী জহির ১৯৬৯ সালের শেষে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে ক্যাডেট হিসেবে যোগ দিয়ে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের সামরিক একাডেমিতে সিনিয়র ক্যাডেট হিসেবে প্রশিক্ষণ নেন। ১৯৭১-এর আগস্টে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আর্টিলারি কোরে কমিশন লাভ করেন। এর পরপরই আগস্টের শেষে তিনি পাকিস্তান থেকে পালিয়ে এসে যুদ্ধে যোগ দেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএইচ/এমকেএ/এইচএন