পূর্বাচলে কূটনৈতিক জোন করার প্রয়োজন হতে পারে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ঢাকা, শনিবার   ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১,   ফাল্গুন ১৪ ১৪২৭,   ১৪ রজব ১৪৪২

পূর্বাচলে কূটনৈতিক জোন করার প্রয়োজন হতে পারে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:২৯ ২১ জানুয়ারি ২০২১   আপডেট: ১৫:২১ ২১ জানুয়ারি ২০২১

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন- ফাইল ছবি

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন- ফাইল ছবি

চাহিদার বিপরীতে পর্যাপ্ত জমির অভাবে পূর্বাচলে কূটনৈতিক জোন করার প্রয়োজন হতে পারে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ কথা জানান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নানামুখী উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান থাকায় ঢাকা শহরের চারদিক দ্রুত গতিতে প্রসার হচ্ছে। এখন দূতাবাস স্থাপনের জন্য নতুন নতুন চাহিদার বিপরীতে ঢাকার গুলশান ও বারিধারা কূটনৈতিক জোনে পর্যাপ্ত জমির সংকুলান করা খুব কঠিন। এ অবস্থায় পূর্বাচলে দূতাবাস স্থাপনের জন্য নির্ধারিত কূটনৈতিক জোন গড়ে তোলার প্রয়োজন হতে পারে।

তিনি আরো বলেন, বারিধারা কূটনৈতিক এলাকায় সব দূতাবাস-হাইকমিশন অফিস স্থানান্তরের জন্য কয়েকটি দূতাবাস ও হাইকমিশনের জমির চাহিদা রয়েছে। তবে জমির অপ্রতুলতা এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ ব্যাপারে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, রাজউকসহ অন্যান্য কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় চলছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এখনো ১০টি বিদেশি দূতাবাসের প্লটের আবেদন প্রক্রিয়াধীন। বিশেষত ব্রাজিল, শ্রীলংকা, ওমান, কুয়েত, মিয়ানমার ও আফগানিস্তান তাদের দূতাবাস স্থাপনের সূচনালগ্ন থেকেই এ বিষয়ে অনুরোধ জানিয়ে আসছে। এছাড়া ঢাকায় অবস্থিত ৫০টি কূটনৈতিক মিশনের মধ্যে যারা বরাদ্দপ্রাপ্ত অথবা নিজস্ব কেনা জমি ব্যবহার করছে না, তারাও আগ্রহ প্রকাশ করতে পারে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে।

রাজউকের তথ্যানুযায়ী, এরই মধ্যে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে একটি কূটনৈতিক জোন পরিকল্পনা করা হয়েছে।

নওগাঁ-২ আসনের এমপি শহীদুজ্জামান সরকারের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, হাঙ্গেরি সরকার বাংলাদেশে একটি কনস্যুলার অফিস স্থাপনের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের সম্মতি চেয়েছে। হাঙ্গেরির আবেদনটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশে দক্ষিণ আফ্রিকার দূতাবাস স্থাপনের বিষয়ে আলোচনা চলছে।

ঢাকা-১১ আসনের এমপি এ কে এম রহমতুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই মুহূর্তে প্রবাসে কর্মরত বাংলাদেশিদের অনাকাঙ্ক্ষিত সমস্যা মোকাবিলায় আইনি সহায়তা দেয়ার লক্ষ্যে বিদ্যমান বাংলাদেশ মিশনগুলোতে কোনো আইন সহায়তা কেন্দ্র নেই। তবে প্রবাসী বাংলাদেশিদের যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত সমস্যা সমাধান করতে বাংলাদেশ মিশনগুলো সব ধরনের আইনি সহায়তা দিয়ে থাকে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ/এইচএন