একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ০৪ মার্চ ২০২১,   ফাল্গুন ২০ ১৪২৭,   ১৯ রজব ১৪৪২

একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৭:৩২ ১৭ জানুয়ারি ২০২১   আপডেট: ১৮:০০ ১৭ জানুয়ারি ২০২১

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী; ফাইল ছবি

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী; ফাইল ছবি

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের সময়ে একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না। এজন্য পায়রা বন্দর নির্মাণে ক্ষতিগ্রস্তদেরও ক্ষতিপূরণসহ পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

রোববার পটুয়াখালীতে পায়রা বন্দরের পুনর্বাসিতদের জন্য নির্মাণাধীন বাড়ি পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।

খালিদ মাহমুদ বলেন, পায়রা বন্দর নির্মাণে ভূমি অধিগ্রহণের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে ৪৮৪ একর ভূমিতে ১৪টি প্যাকেজে মোট সাতটি কেন্দ্রে ক্ষতিগ্রস্ত সব পরিবারকে পুনর্বাসনের জন্য প্রায় ৩ হাজার ৪২৩টি বাড়ি নির্মাণাধীন রয়েছে। যার মধ্যে এ-টাইপ (৪ কাঠা জায়গার উপর ৯৭৮ বর্গফুটের বিল্ডিং) ১ হাজার ১৬৫টি এবং বি-টাইপ (৩ কাঠা জায়গার ওপর ৮৮৫ বর্গফুটের বিল্ডিং) ২ হাজার ২৫৮টি। ১৪টি প্যাকেজের মোট চুক্তি মূল্য ১ হাজার ৪২ দশমিক ৫৪ কোটি টাকা। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের জন্য ‘পায়রা বন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো-সুবিধাদির উন্নয়ন (দ্বিতীয় সংশোধিত)’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ১৪টি প্যাকেজে বাস্তবায়ন করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিগগিরই এসব আবাসন প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন বলে জানান নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী।

পুনর্বাসন প্যাকেজসমূহের মধ্যে প্যাকেজ-১ এর কাজ এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এখানে মোট ১১৪টি বাড়ি রয়েছে, যার মধ্যে এ-টাইপবাড়ি ৩৬টি ও বি-টাইপবাড়ি ৭৮টি। প্রতিটি বাড়িতে রয়েছে তিনটি বেডরুম, দু’টি বাথরুম, একটি কিচেন এবং একটি বারান্দা। এছাড়াও রাস্তা, স্কুল, মসজিদ, বিদ্যুৎ, খেলার মাঠ, পরিবেশবান্ধব সামাজিক বনায়ন ব্যবস্থাসহ অন্যান্য সুবিধা প্যাকেজের অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

পায়রা বন্দরের প্রথম টার্মিনাল ও এর সংযোগ সড়ক এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদেরকে প্যাকেজ-১ এর বাড়িগুলোতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পুনর্বাসন করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। পায়রা বন্দরের প্রথম টার্মিনাল ও এর সংযোগ সড়ক সংলগ্ন লালুয়া ইউনিয়নভুক্ত অধিগ্রহণকৃত এলাকার ১১৪টি পরিবারকে ‘পুনর্বাসন নির্দেশিকার’ আলোকে পুনর্বাসিত করা হবে।

ভূমি অধিগ্রহণের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের পুনর্বাসিত করার পাশাপাশি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। উক্ত প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের আওতায় ৪ হাজার ২০০ জনকে ২২টি ট্রেডে প্রশিক্ষণ প্রদানের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ১৬টি ট্রেডে ১০৪টি ব্যাচে মোট ২ হাজার ৬০০ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।

পরিদর্শনকালে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমডোর হুমায়ুন কল্লোল, সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) কমান্ডার এম রাফিউল হাসান, সদস্য (হারবার ও মেরিন) কমডোর এম মামুনুর রশীদ, সদস্য (প্রকৌশল ও উন্নয়ন) কমডোর  রাজীব ত্রিপুরা এবং  প্রকল্প পরিচালক ক্যাপ্টেন মুনীর হোসেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/ইকেডি/এমকেএ