পাহাড়ে শান্তি প্রধানমন্ত্রীর অবদান

ঢাকা, রোববার   ১৭ জানুয়ারি ২০২১,   মাঘ ৩ ১৪২৭,   ০২ জমাদিউস সানি ১৪৪২

পাহাড়ে শান্তি প্রধানমন্ত্রীর অবদান: পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:৪৬ ২ ডিসেম্বর ২০২০   আপডেট: ১৮:০৪ ২ ডিসেম্বর ২০২০

সচিবালয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তৃতা দেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং - ডেইলি বাংলাদেশ

সচিবালয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তৃতা দেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং - ডেইলি বাংলাদেশ

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং বলেছেন, শান্তিচুক্তির ফলে পাহাড়ে শান্তি বিরাজ করছে, উন্নয়ন হচ্ছে। সেখানে মেডিকেল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে। সব কিছুই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদান।

বুধবার সচিবালয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি জানান, তিন পার্বত্য জেলায় ছয়টি স্মার্ট ভিলেজ স্থাপনের কাজ চলছে। ১০ হাজার ৮৯০টি পরিবারের মধ্যে সোলারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সুবিধা দেয়া হয়েছে। গত ১০ বছরে পার্বত্য অঞ্চলের যুবকদের শিক্ষা ও নানাবিধ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলা হয়েছে। রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নে পার্বত্য অঞ্চলের অগ্রাধিকার ভিত্তিক উন্নয়ন প্রয়োজন বলেও এসময় উল্লেখ করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সুযোগ্য নেতৃত্বে ১৯৯৭ সালে ২ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার পর হতে অশান্ত পার্বত্য চট্টগ্রামে উন্নয়নের পরিবেশ সৃষ্টি হয়। পার্বত্য চট্টগ্রামের আয়তন প্রায় ১৩ হাজার ২৯৫ বর্গ কিলোমিটার। এই অঞ্চলের লোকসংখ্যা প্রায় ১৬ লাখ। চাকমা, মারমাসহ অনেক উপজাতি এখানে বসবাস করেন। বিগত ১০ বছরে পার্বত্য অঞ্চলের যুবকদের শিক্ষাসহ প্রভূত উন্নয়ন সাধিত হয়েছে।

তিনি বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের শান্তি চুক্তি আজ ২৩ বছরে পদার্পণ করল। শান্তি চুক্তিতে ৭২টি ধারা ছিল। তার মধ্যে আমরা ৪৮টি ধারা পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন করেছি, ১৫টি আংশিক বাস্তবায়ন হয়েছে এবং ৯টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ভূমি বিষয়ক ধারা। আমরা এ বিষয়ে কাজ করছি। ২০১৭ সালে আমরা সংশোধিত আকারে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সংসদে ভূমি কমিশন আইন পাস করা হয়েছে। ভূমি সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি করার জন্যে আমাদের কয়েকবার চেয়ারম্যান পরিবর্তন করতে হয়েছে। এছাড়া ভূমি নিষ্পত্তির জন্য কিছু বিধি-বিধান, আইন-কানুনের বিষয় রয়েছে বিধায় আমরা ভূমি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। বর্তমানে ভূমি মন্ত্রণালয় এটি নিয়ে কাজ করছে।

শান্তি চুক্তির ২৩ বছর পূর্তি উপলক্ষে এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে এমপি বাসন্তি চাকমা, সচিব সফিকুল আহমেদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান নববিক্রম কিশোর ত্রিপুরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, আজ ২ ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির ২৩ বছর পূর্তি। ১৯৯৭ সালের এই দিনে পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি জনসংহতি সমিতির সঙ্গে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সরকার এই চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল।

ডেইলি বাংলাদেশ/টিআরএইচ/আরএইচ/এইচএন