ঐতিহ্যবাহী রাস উৎসবে নিরাপত্তায় থাকবে কোস্ট গার্ড

ঢাকা, শুক্রবার   ২২ জানুয়ারি ২০২১,   মাঘ ৮ ১৪২৭,   ০৭ জমাদিউস সানি ১৪৪২

ঐতিহ্যবাহী রাস উৎসবে নিরাপত্তায় থাকবে কোস্ট গার্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০২:০৪ ২৮ নভেম্বর ২০২০   আপডেট: ০২:০৬ ২৮ নভেম্বর ২০২০

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছরের ২৮-৩০ নভেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের রাস পূর্ণিমার পূণ্যস্নান। প্রতি বছরের মতো এবারো সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের দুবলার চরের আলোরকোলে উদযাপিত হবে এই আয়োজন। নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে রাস পূর্ণিমার পূণ্যস্নান অনুষ্ঠানের নিরাপত্তায় থাকবে কোস্ট গার্ড।

শুক্রবার কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফট্যানেন্ট বিএন খন্দকার মুনিফ তকি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, কোভিড-১৯ পরিস্থিতি ও ধর্মীয় স্পর্শকাতরতা বিবেচনায় রাস-পূর্ণিমা উপলক্ষে শুধুমাত্র পূণ্যার্থী/তীর্থযাত্রীদের অংশগ্রহণে ২৮ নভেম্বর থেকে শুরু করে ৩০ নভেম্বর সকালে পূণ্যস্নানের মাধ্যমে রাসপূজা ও পূণ্যস্নান উৎসবের সমাপ্তি হবে।

খন্দকার মুনিফ তকি জানান, রাস পূর্ণিমায় প্রতি বছরের মতো এবারেও হাজার হাজার হিন্দু তীর্থযাত্রীদের সমাগম ঘটবে বলে আশা করা যায়। এ জন্য সুন্দরবনের বনজ সম্পদ ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণসহ পূণ্যস্নানে আসা পূণ্যার্থী/তীর্থযাত্রীদের জানমালের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে কোস্ট গার্ড সর্বদা নজরদারি রাখবে।

এ বছর উৎসবের আগে থেকেই দুবলার চরে যাতায়াতের জন্য বন বিভাগের অনুমোদিত পাঁচটি রুটের সব নৌযানে কোস্টগার্ড ও বনবিভাগ যৌথভাবে তল্লাশি করবে। এসব নৌযান যেন সুন্দরবনে বন্যপ্রাণী শিকার এবং অবৈধভাবে গাছ কাটতে না পারে সে জন্য নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কোস্ট গার্ডের বিশেষ টহল অব্যাহত থাকবে।

দুবলার চরে আলোরকোল এলাকার প্রবেশ মুখে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বিতভাবে তল্লাশি করে পূণ্যার্থীদের প্রবেশ করতে দেয়া হবে। একই সঙ্গে কোস্টগার্ড জাহাজ স্বাধীন বাংলার তত্ত্বাবধানে ওই এলাকায় একটি ডুবুরি ও একটি মেডিকেল দল সার্বক্ষণিক টহলে নিয়োজিত থাকবে। যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি দ্রুত মোকাবিলায় দুবলার চরে কোস্টগার্ড স্টেশনের নিচতলায় কন্ট্রোল রুম মোবাইল নম্বর- ০১৫৩৫৮৮৯২০৪ এবং ০১৭৬৯৪৪৪৩৩৩) স্থাপন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের জোনাল কমান্ডার ক্যাপ্টেন এম হাবিব-উল-আলম জানান, রাস পূর্ণিমা উৎসব উদযাপনে কোস্টগার্ডের নিজস্ব প্রস্তুতির পাশাপাশি র‌্যাব, বনবিভাগ, নৌ পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া করা হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএইচ