জঙ্গি ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২১ জানুয়ারি ২০২১,   মাঘ ৭ ১৪২৭,   ০৬ জমাদিউস সানি ১৪৪২

জঙ্গি ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৯:১৭ ২৩ নভেম্বর ২০২০   আপডেট: ১৯:২৭ ২৩ নভেম্বর ২০২০

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

জঙ্গি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম প্রতিরোধ, নির্মূল ও নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি করতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

সোমবার জারি করা প্রজ্ঞাপন বলা হয়েছে, ইসলাম মানব জাতির জন্য শান্তি, কল্যাণ ও পরকালীন মুক্তির পথ। বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) অজ্ঞতা-অন্ধকার ও ভয়-ভীতিপূর্ণ সমাজ থেকে সব ভয়, অস্থিরতা, নিরাপত্তাহীনতা ও সংঘাত দূর করে শান্তি, নিরাপত্তা এবং সব মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ইসলামের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে কোনো অশুভ শক্তি একেক সময় একেক নামে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে। এতে আলেম সমাজসহ ধর্মপ্রাণ মানুষের ভাবমর্যাদা আঘাতপ্রাপ্ত হয়। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ একটি বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ। সন্ত্রাসীদের কোনো ধর্ম নেই, সীমানা নেই। ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় বর্তমান সরকার সদা তৎপর। জঙ্গি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম প্রতিরোধ, নির্মূল ও নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে সামাজিক সচেতনতায় সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সম্পৃক্ততা বাড়াতে হবে।

‘ইসলামিক ফাউন্ডেশনে কর্মরত মুফতি, মুহাদ্দিস, মুফাসসিরসহ আলেম-ওলামাগণের মাধ্যমে পবিত্র কুরআন ও হাদিসের আলোকে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ বিরোধী বক্তব্য প্রস্তুত করে স্থানীয় পর্যায়ের সব মসজিদের খতিব-ইমামদের মাধ্যমে নিয়মিত প্রচার নিশ্চিত করতে হবে। সব মসজিদের খতিব-ইমামরা জুমার নামাজের খুতবার পূর্বে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ বিরোধী বক্তব্য প্রচার নিশ্চিত করবেন। পবিত্র কুরআন ও হাদিসের সঠিক ব্যাখ্যা সম্বলিত বক্তব্য অনলাইন তথা বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রচারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়েছে, জঙ্গি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান প্রধানসহ সব শ্রেণির জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সভা-সমাবেশ আয়োজনের উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সব বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারা জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএইচ