ক্যাম্পাসের নির্জনে নিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ, ৮ মাসে দুবার গর্ভবতী

ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৪ নভেম্বর ২০২০,   অগ্রহায়ণ ১০ ১৪২৭,   ০৭ রবিউস সানি ১৪৪২

ক্যাম্পাসের নির্জনে নিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ, ৮ মাসে দুবার গর্ভবতী

রাজশাহী প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৯:৩৯ ২২ নভেম্বর ২০২০   আপডেট: ১৬:০২ ২৩ নভেম্বর ২০২০

ফেরদৌস মোহাম্মদ শ্রাবণ

ফেরদৌস মোহাম্মদ শ্রাবণ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) লেখাপড়া করছেন তানিয়া (ছদ্মনাম)। এ সুবাদে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফেরদৌস মোহাম্মদ শ্রাবণের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের সম্পর্ক হয়। আর সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে তানিয়াকে ধর্ষণ করে শ্রাবণ। পরে বিয়ের প্রলোভনে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। এতে গত আট মাসে দুবার গর্ভবতী হন তানিয়া।

এসব অভিযোগ এনে শ্রাবণের বিরুদ্ধে রাজশাহী নগরীর মতিহার থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী তানিয়া। ১৪ নভেম্বর রাতে এ মামলা রেকর্ড করা হয় বলে জানিয়েছেন মতিহার থানার ওসি এএসএম সিদ্দিকুর রহমান। সোমবার দুপুরে তিনি এ তথ্য জানান। অভিযুক্ত ফেরদৌস মোহাম্মদ শ্রাবণ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী।

আরো পড়ুন: সন্তান প্রতিবন্ধী হওয়ায় তালাক দিয়ে কাগজ লুকিয়ে রাখলেন স্বামী

ভুক্তভোগী ছাত্রী জানান, ২০১৯ সালের আগস্টে শ্রাবণের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। ওই মাসের এক সন্ধ্যায় তাকে ধর্ষণ করে শ্রাবণ। বিষয়টি প্রশাসনকে জানাতে চাইলে শ্রাবণ তাকে বিয়ে করবে বলে আশ্বাস দিয়ে সম্পর্ক চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করে।

আরো পড়ুন: গভীর রাতে প্রবাসী ছেলের বউয়ের রুমে ঢুকেই শ্বশুরের ঘুম হারাম

বর্তমানে তিনি ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) রয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেন, এরপরও শ্রাবণ দুবার আমাকে ধর্ষণ করে। এর মধ্যে চলতি বছরের মার্চে আমি গর্ভবতী হই। তখন গর্ভপাত করাতে আমাকে বাধ্য করে শ্রাবণ। সবশেষ অক্টোবরে আমি ফের গর্ভবতী হই। এরপর থেকে শ্রাবণ আমার সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে চাচ্ছে না, বিয়েও করবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে।

আরো পড়ুন: তরকারির পাতিলে মুখ দিল বিড়াল, স্ত্রীকে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠাল স্বামী

অভিযোগের অধিকাংশই মিথ্যা বলে দাবি করছেন শ্রাবণ। তিনি বলেন, তার সঙ্গে আমার আগে সম্পর্ক ছিল। তার একাধিক ছেলের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক রয়েছে বলে ইদানীং জানতে পেরেছি। সেজন্যই আমাদের সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যায়। সম্পর্ক নষ্ট হওয়ায় সে আমার সঙ্গে এমনটা করছে। তার অভিযোগের অনেক কিছুই মিথ্যা।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআর/জেএস