পুরনো ও ছেঁড়া কোরআন শরিফ কী করবেন জানেন?   

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ০৩ ডিসেম্বর ২০২০,   অগ্রহায়ণ ২০ ১৪২৭,   ১৬ রবিউস সানি ১৪৪২

পুরনো ও ছেঁড়া কোরআন শরিফ কী করবেন জানেন?   

ধর্ম ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:৪৯ ২২ নভেম্বর ২০২০   আপডেট: ১৬:১৮ ২২ নভেম্বর ২০২০

ছবি: পুরনো ও ছেঁড়া কোরআন শরিফ

ছবি: পুরনো ও ছেঁড়া কোরআন শরিফ

ঘরে কোরআনুল কারিমের এমন অনেক হাদিস থাকে, যা পড়া যায় না। কোরআনে কারিম বেশি দিন থাকতে থাকতে পাতাগুলো নষ্ট হয়ে যায়, অক্ষর ঝাপসা হয়ে যায়,অংশ ছিঁড়ে গেছে, লেখা মুছে গেছে এবং পড়ার যোগ্য থাকে না।

এমন পরিস্থিতিতে পুরনো বা ছেঁড়া এসব কোরআন শরিফ কী করতে হবে? চলুন তবে জেনে নেয়া যাক ইসলামের নির্দেশনাই বা কী সে সম্পর্কে-  

ইসলামের নির্দেশনা হলো-

পুরনো, ছেঁড়া বা পড়ার অনুপযুক্ত কোরআনুল কারিমের কপিগুলোর সম্মান ও মর্যাদা রক্ষায় করণীয় সম্পর্কে একাধিক মতামত পাওয়া যায়। কেউ কেউ তা আগুনে পুড়ে ফেলাকে সবচেয়ে উত্তম বলেছেন। তারা হজরত ওসমান (রা.)এর সময়ের ঘটনার বর্ণনা তুলে ধরেন। তাহলো-

হজরত ওসমান ইবনে আফফান (রা.) যখন কোরআনুল কারিমের মুসহাবগুলো  (বিক্ষিপ্ত খণ্ডগুলো) একত্র করলেন তখন যেগুলো অতিরিক্ত রয়ে গেল, আর কাজে লাগবে না, তখন সবগুলোকে একসঙ্গে একত্রিত করে পুড়ে ফেললেন। তারপর তা মাটিতে পুঁতে দিলেন।

হজরত ওসমান (রা.) এ আমলটির অনুসরণে কোরআনুল কারিমের ছেঁড়া, পুরনো কপিগুলো পুড়িয়ে তা মাটিতে পুঁতে ফেলা জায়েজ এবং বৈধ। 

আরো পড়ুন: পরকীয়া ঠেকাতে নারীরা যা করবেন

কেউ কেউ বলেছেন, কোরআনুল কারিমের পুরনো বা ছেঁড়া পাণ্ডুলিপিগুলো মৃত মুসলমান ব্যক্তিকে দাফনের মতো করে পবিত্র কাপড়ে পেঁচিয়ে সুরক্ষিত ও পবিত্র স্থানে দাফন করে দেয়া।

তবে কুরআনের মর্যাদা রক্ষায় সবাই একমত যে, কোনোভাবেই যেন কোরআনুল কারিমের অবমাননা না হয়। সে দিকে বিশেষ দৃষ্টি রাখা ও সতর্ক, থাকা। 

কোরআনের মর্যাদা রক্ষায় যে বিষয়গুলো করা যাবে না। তাহলো-

> ডাস্টবিন, ময়লার ভাগাড়, অত্যাধিক নোংরা স্থান বা রাস্তায় ফেলা যাবে না।

> গরু, ছাগল, কুকুর, বিড়াল ইত্যাদি চলাফেরা করে এমন স্থানে কোরআনের কপি দাফন করা যাবে না।

> এমন জায়গায় নিক্ষেপ করা যাবে না যেখানে কোরআনে কারিমের অবমাননা হতে পারে।

> অমর্যাদার আশংকা থাকলে ছোট পুকুর, জলাশয়, খাল, নদী কিংবা জলাশয়ে ফেলা যাবে না।

উল্লেখ্য, যারা কোরআনুল কারিম পবিত্র কাপড়ে মুড়িয়ে পবিত্র স্থানে দাফনের কথা বলেছেন, তারা কোরআনুল কারিম না পুড়ানোকে উত্তম বলেছেন। তাদের মতামত হলো, কোরআনুল কারিম আগুনে পুড়ে ফেললেও হক আদায় হয় না। একান্ত যদি কেউ তা পুড়ে ফেলে তবে সে যেন পোড়ানো ছাঁইগুলো পবিত্র স্থানে দাফন করে দেয় কিংবা নদীতে ভাসিয়ে দেয়।

আল্লাহ তায়ালা মুসলিম উম্মাহকে পুরাতন, ছেঁড়া কিংবা পড়ার অনুপোযুক্ত পাণ্ডুলিপিগুলো সংরক্ষণের ব্যাপারে উল্লেখিত নিয়মে হেফাজত করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএমএস

শিরোনাম

Bulletজাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার- ২০১৯ ঘোষণা; শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র- ন’ডরাই ও ফাগুন হাওয়ায়, শ্রেষ্ঠ অভিনেতা তারিক আনাম খান ও সুনেরাহ বিনতে কামাল Bulletখুলনায় সানা হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড Bullet৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রণোদনার ৯০ শতাংশ অর্থ বিতরণ হবে: গভর্নর Bulletধর্ষণ মামলায় বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের তিন নেতার দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর Bulletবাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের কক্সবাজার থেকে ভাসানচরে স্থানান্তরের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে র‍্যাব-৭ ও ১৫ Bulletভাসানচরে রোহিঙ্গা স্থানান্তরের প্রক্রিয়া শুরু, উখিয়া থেকে রোহিঙ্গাদের বহনকারী ১০টি বাস রওনা দিয়েছে Bulletবরিশালের মেহেন্দিগঞ্জে মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার