অবাক কাণ্ড! যুবকের মুখে ২৩২টি দাঁত

ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৪ নভেম্বর ২০২০,   অগ্রহায়ণ ১০ ১৪২৭,   ০৭ রবিউস সানি ১৪৪২

অবাক কাণ্ড! যুবকের মুখে ২৩২টি দাঁত

ফিচার ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৮:৩৯ ২০ নভেম্বর ২০২০   আপডেট: ১৯:৩২ ২০ নভেম্বর ২০২০

ছবি: ২৩২ টি দাঁত মিলেছে যুবকের মুখে

ছবি: ২৩২ টি দাঁত মিলেছে যুবকের মুখে

রহস্যময় মানব শরীর। এর রহস্যের অনেক কিছুই আমাদের অজানা। একেকজনের শরীরে রয়েছে একেক রকমের বৈশিষ্ট্য। কারো চুল কোঁকড়া, কারো সোজা। আবার কারো ত্বক সাদা বা কারো কালো। এসব সাধারণ বৈশিষ্ট্যের বাইরেও কিন্তু মানবদেহের এমন কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা অতি দুর্লভ।

আরো পড়ুন: শরীরের অর্ধেক নেই, তবুও থেমে নেই বেলাল

পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার খুব অল্প সংখ্যক মানুষের শরীরে এমন কিছু বৈশিষ্ট্য খুঁজে পাওয়া যায়। এসব বৈশিষ্ট্য যেমন বিরল, তেমন চমকপ্রদ। তাদের বৈশিষ্ট্য দেখলে হয়তো সুপারহিরোরাও হিংসা করবে।

দাঁতআপনার কয়টি দাঁত রয়েছে? ২৮টি বা ৩২টি। তাছাড়া কথায় বলে, থাপ্পড় দিয়ে ৩২টি দাঁত ফেলে দিবো। কারো কারো যদিও এর থেকে কম পরিমাণ দাঁত রয়েছে। পৃথিবীতে এমন অনেক মানুষ আছে, যাদের শত শত দাঁত রয়েছে।

আরো পড়ুন: কান্নার জন্য সুন্দর ছেলেদেরকে ভাড়া করেন জাপানি নারীর

ভারতের এক কিশোরের মুখে পাওয়া গেছে ২৩২টি দাঁত। রীতিমতো অস্ত্রোপচার করে ২৩২টি অপসারণ করেছেন চিকিৎসকরা। এতে দীর্ঘ সাত ঘণ্টা সময় লেগেছে। অস্ত্রোপচারের সময় মাড়ির কাঠামো ঠিক রাখা হয়েছিল।

সাত ঘণ্টা ধরে তার দাঁত তোলা হয়বাড়তি দাঁতগুলো অপসারণের পর বেশ সুস্থ আছে বালক আশিক। তার মুখে এখনও ২৮টি দাঁত রয়েছে। মুম্বাইয়ের জে. জে. হাসপাতালের ডেন্টাল বিভাগের প্রধান ডা. সুনন্দা দিওয়ারি জানান, আশিকের ডান চোয়ালে সাত ঘণ্টার দীর্ঘ অস্ত্রোপচার চালিয়ে দাঁতগুলো বের করা হয়। 

আরো পড়ুন: দিন-রাত পাপ কর্মে ডুবে আছে কুখ্যাত এক দ্বীপ

১৮ মাস ধরে দাঁতের ব্যথা নিয়ে বিভিন্ন চিকিৎসকের দ্বারে দ্বারে ঘুরছিল ওই কিশোর। তবে কেউ তার ব্যথার কারণ চিহ্নিত করতে পারেননি। মুম্বাইয়ের ওই হাসপাতালে আশিকের মুখে অস্ত্রোপচার হয়। তার মুখে এতগুলো অতিরিক্ত দাঁত থাকাকে বিরল ঘটনা বলে দাবি করেন চিকিৎসকরা।

উঠানো দাঁতগুলোতাই কোনো রকম অস্বাভাবিকতা ছাড়া সে সুস্থ হয়ে ওঠে। এই রোগটিকে বলা হয় হাইপারডোন্টিয়া। মাত্র হাতে গোনা কয়েকজনেরই এই রোগটি হয়ে থাকে। এদিকে এমন চাঞ্চল্যকর ঘটনার খবর চারিদিকে ছড়িয়ে পড়লে আশপাশ থেকে বহু মানুষ হাসপাতালে ভিড় জমাতে থাকেন। এজন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ভিড় সামাল দিতে বেশ বেগ পেতে হয়। এই ঘটনাটি ২০১৪ সালের হলেও তা সত্যিই বিষ্ময়কর। এখনো এই ঘটনা বিশ্ববাসীর কাছে বিরল।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএমএস/কেএসকে